মেইন ম্যেনু

ঘাটাইলে শিশু হত্যা মামলার আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে

ঘাটাইল উপজেলার সন্ধানপুর ইউনিয়নে কুশারিয়া গ্রামে আনোয়ার (১৩) হত্যা ৫ মাস পার হয়ে গেলেও মামলার মূল আসামীরা বীরদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছে। অপরদিকে বিবাদীরা মামলার বাদীকে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন সময় হুমকী দিচ্ছে।

এ বিষয়ে নিহত আনোয়ারের বাবা আঃ রহিম ঘাটাইল উপজেলা চেয়ারম্যান বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। বাদীর লিখিত অভিযোগ ও এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা যায়, চলতি বছর ৩০ জানুয়ারী ঘাটাইল উপজেলার সন্ধানপুর ইউনিয়নে পাঞ্জারবাইদ গ্রামে শিক্ষামূলক একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ঝগড়া হয়। ঝগড়ার জের ধরে রাতে আব্দুর রহিমের ছেলে আনোয়ার (১৩) কে জবাই করে একটি ক্ষেতের ভিতর ফেলে রাখে।

এই হত্যাকান্ডের সূত্র ধরে ওসি তদন্ত মাকুসুদল আলম মজনু নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে। ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ শহিদুল ইসলাম এর সামনে ৬ জনের নাম থানায় স্বীকারোক্তি দিলেও রহস্যজনকভাবে আসামী মজনু কোর্টে ১৬৪ ধারায় ৩ জনের নাম উল্লেখ করে বাকী ৩ জনকে অজ্ঞাত দেখিয়ে জবানবন্দি দেন। বরংচ মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা মূল আসামী না ধরে এলাকার নিরীহ লোকজনদেরকে ধরে এনে টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয় বলে অভিযোগ থেকে জানা যায়।

মামলার আসামী লিটন, ইদ্রিস ও শহিদ এলাকায় বীরদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছে। লিখিত অভিযোগ সর্ম্পকে উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান সামু জানায় আমি লিখিত অভিযোগটি টাংগাইল পুলিশ সুপারের নিকট পাঠিয়েছি। আসামী না ধরার ব্যাপারে নিহত আনোয়ারের পিতা আঃ রহিম জানান ওসি (তদন্ত) মাকসুদুল আলম মোটা অংকের উৎকোচ গ্রহন করে বাকী আসামীগুলি

মামলার চার্জশীট থেকে বাদ দেওয়ার পায়তারা করছে। ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ শহিদুল ইসলাম শহীদ এর সাথে আনোয়ার হত্যা মামলা আসামীদের না ধরার ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান,

মামলার আসামীরা বীরদর্পে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং পুলিশ যদি চাপে পড়ে কখনও ধরতে আসে তাহলে পূর্ব থেকে আসামীদেরকে ফোন করে আসে।

এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) মাকসুদুল আলম কে মুঠোফোনে আসামী না ধরার সর্ম্পকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান এটা তো পুরুনো কথা এই মামলায় অজ্ঞাত নামা আসামী সনাক্ত না হলে কিভাবে ধরব।

১৬৪ ধারায় আটকৃত মজনুর জবাবন্দি সর্ম্পকে অন্যান্য আসামীদের না ধরার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান আসামীরা পলাতক আছে এবং আসামী পক্ষের কাছ থেকে টাকা পয়সা নেওয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন কথাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।






মন্তব্য চালু নেই