মেইন ম্যেনু

ঘুরে আসুন চবি’র ‘চালন্দা গিরিপথ’

সাফাত জামিল শুভ, চবি প্রতিনিধি : প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের অপূর্ব লীলাভূমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়নাভিরাম প্রকৃতির কথা কারোরই অজানা নয়। শহরের যান্ত্রিক জীবন থেকে দূরে, প্রকৃতির কোলঘেষে অবস্থিত এ ক্যম্পাস যেন অঘোষিত পর্যটন স্পটে পরিনত হয়েছে। কর্মব্যস্ত সময়ের ক্লান্তি, গ্লানি দুর করতে এ ক্যম্পাসে পাড়ি জমায় অনেক ভ্রমন পিপাসু মানুষ। প্রতিদিন নানা শ্রেনীর পর্যটক চবি’তে ঘুরতে আসেন। রুপসী ক্যম্পাসের মনোমুগ্ধকর দৃশ্যাবলী সবার মন কেড়ে নেয়।

প্রকৃতি এখানে উদার ও মায়াময়। বন-পাহাড়ের মায়াবী ডাক কিংবা ঝরনার হাতছানি এড়াতে পারে না কেউ। এরসঙ্গে যুক্ত হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাডভেঞ্চার খ্যাত ‘চালন্দা গিরিপথ’। প্রাকৃতিক ঝরনা, পাহাড়ের প্রাণজুড়ানো রূপে বহুদিন ঢাকা পড়েছিল চালন্দা গিরিপথের সৌন্দর্য। রহস্যপ্রেমী কিছু উদ্দমী তরুনের অভিযাত্রার মাধ্যমে প্রকাশ পায় চালন্দা’র সৌন্দর্য।

শহর থেকে প্রায় ২২ কিঃমিঃ দূরে অবস্থিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ঝুপড়ির পাশে রয়েছে পাহাড় থেকে নেমে আসা পানির ঝরনা। ঝরনার পানির উৎপত্তিস্থলের দিকটি ‘ছড়া’র পানি নামে পরিচিত। ছড়ার পানি দিয়ে পশ্চিমে প্রায় ৫০ মিনিট হাঁটার পর দক্ষিণে দেখা মিলবে অদ্ভুত সুন্দর চালন্দা গিরিপথের। চারদিকে সুনসান নীরবতায়, পাহাড়ের বুক চিরে চলে যাওয়ার সময় দেখা হবে পাহাড় থেকে কাঠ কেটে আনা কাঠুরিয়া কিংবা চাষাবাদে ব্যস্ত কৃষকের সাথে। ছড়ার শীতল পানি দিয়ে হাঁটার সময় চারপাশের সবুজ প্রকৃতি আর স্বচ্ছ পানির স্রোতোধারা দেখে চোখ জুড়িয়ে যাবে নিমিষেই।সেখানে হাটু পরিমাণ পানি আছে কিছু কিছু জায়গায়। পাহাড়ের বিশুদ্ধ পানি সমৃদ্ধ এ গিরিপথ ধরে এগুতে থাকলে দেখা যাবে সেখানে পাহাড়ের আদা-সরিষাসহ বিভিন্ন ফসলের চাষাবাদের অভূতপূর্ব দৃশ্য। অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় প্রকৃতিপ্রেমী শিক্ষার্থীরা প্রায়ই দলবেঁধে এই গিরিপথের নয়নাভিরাম সৌন্দর্য উপভোগ করতে যান। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, প্রশাসনের আন্তরিকতায় সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে চালন্দা গিরিপথকে একটি দর্শনীয় স্থানে রূপ দেয়া যেতে পারে।

ছবি- মাইনুল ইসলাম শিমুল।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই