মেইন ম্যেনু

ঘোড়াকে মৃত্যুদণ্ড দেয়নি সৌদি আরব!

‘সমকামীতার অভিযোগে একটি ঘোড়ার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে সৌদি আরব’ গালফ নিউজের বরাত দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত এমন সংবাদটিকে মিথ্যে এবং ব্যাঙ্গাত্মক বলে অভিহিত করেছেন সৌদি কর্তৃপক্ষ।

প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, গত সপ্তাহে পুরুষ ওই ঘোড়াটিকে আরেকটি ঘোড়ার সঙ্গে সঙ্গম করতে দেখে পরিচর্যাকারী। এরপরই সে বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানায়। এর পর থেকে ঘোড়াটিকে আলাদা করে রাখা হয়। এবং সমকামিতা আইনে ঘোড়াটির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। গত শুক্রবার ঘোড়াটির মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর একই দিন তা কার্যকর করা হয়।

কিন্তু সৌদি কর্তৃপক্ষ উল্লেখ্য ঘটনাটি অস্বীকার করেছে। তাদের মতে, সৌদি কর্তৃপক্ষকে হেয় করতে ওই সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনটিতে সৌদি আরবের ধর্মীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষ ও সদগুণের বিস্তার এবং অনৈতিকতা প্রতিরোধ কমিটির প্রধান শাইখ আবদুর রহমান আল আলসানাদের বরাতে বলা হয়, সমকামিতা একটি মারাত্মক রোগ, যার সম্পর্কে বিজ্ঞান খুবই কম জানে। আমাদের পবিত্র এই ভূমিকে সম্ভাব্য সকল উপায়ে এই ক্ষতিরোগ থেকে দূরে রাখা হবে। শুধু মানুষ নয়, সকল প্রাণীকেও এই ক্ষতিকর অভ্যাস থেকে মুক্ত রাখতে সবধরনের কঠোরতার অনুমতি আইনে দেওয়া আছে।’

সংবাদে সৌদি কর্তৃপক্ষের একটি ছবি ব্যবহার করে দাবি করা হয় ছবিটি ছিল ঘোড়ার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার হুকুম স্বাক্ষর করার সময়কার ছবি এবং ওই স্বাক্ষর অনুষ্ঠান টেলিভিশনে প্রচার করা হয়।

saudilaw

এটি ঘোড়ার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার অনুমোদন দেওয়ার মুহুর্তের ছবি বলে দাবি করা হয় প্রকাশিত সংবাদে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, সৌদি আরব প্রতি বছরই ২৫ হাজার থেকে ৩৫ হাজার পশুর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে শুধুমাত্র সমকামীতার অভিযোগে।

ধর্মীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষ সংবাদটিকে মিথ্যাচার বলে দাবি করেছে।

উল্লেখ্য, গালফ নিউজ জানায়, চার বছর বয়সী এই ঘোড়াটির নাম আল-হাদিয়ে। আরবি এই নামটির অর্থ ‘উপহার’। এর মালিক ছিলেন সৌদি যুবরাজ আলওয়ালাদ-বিন-তালাল। দৌড়ের জন্য বিখ্যাত এই ঘোড়াটি চলতি ঘোড়দৌড়ের বছরেই প্রায় ৪২ কোটি টাকা (ছয় মিলিয়ন ডলার) আয় করেছিল। এটি সৌদি আরবের জাতীয় ঘৌড়দৌড় প্রতিযোগিতা ও কাতারের ‘অ্যারাবিয়ান হর্স শো’- তেও অংশ নিয়েছিল।






মন্তব্য চালু নেই