মেইন ম্যেনু

চলে গেলেন ই-মেইলের উদ্ভাবক

তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্বে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ইমেইল ছাড়া আমরা একটি দিনও কল্পনা করতে পারি না। আর এই ইমেইলের যিনি উদ্ভাবন করেছিলেন সেই রে টমলিনসন আর নেই। ৬ মার্চ শনিবার, ৭৪ বছর বয়সে হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন তিনি।

ইন্টারনেট জগতের কিংবদন্তি রে টমলিনসন ১৯৪১ সালে নিউ ইয়র্কের আমস্টারডাম শহরে জন্মগ্রহণ করেন। রেনসেলার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের একটি কলেজে তিনি পড়ালেখা করেন। ওই সময়ে আইবিএম-এ একটি ইন্টার্নশিপেও যোগ দেন তিনি। পরে ১৯৬৩ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি ম্যাসাচুসেট ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি) থেকে ১৯৬৫ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে। ১৯৬৭ সালে তিনি বোল্ট, বেরানেক অ্যান্ড নিউম্যান (বর্তমানে বিবিএন) নামক এক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে কর্মজীবন শুরু করেন।

এখানে কর্মরত অবস্থায়ই রে টমলিনসন ১৯৭১ সালে সর্বপ্রথম ইলেকট্রনিক মেসেজিং (ইমেইল) উদ্ভাবন করেন, যা দিয়ে কম্পিউটারের একটি নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে বার্তা পাঠানো সম্ভব হয়। আর এর মাধ্যমেই সূচিত হয় ইমেইলের যাত্রা, যা বিশ্ব যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসে।

সব ধরনের ইমেইলে ডোমেইন ঠিকানার আগে যে @ প্রতীক ব্যবহার করা হচ্ছে, তার প্রচলনও তিনিই শুরু করেন।

তথ্যপ্রযুক্তি জগতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আন্তর্জাতিক প্রচুর পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হয়েছেন টমলিনসন। ২০১১ সালে এমআইটির শীর্ষ ১৫০ উদ্ভাবকের তালিকাতে তিনি ছিলেন চতুর্থ স্থানে। ইন্টারনেট সোসাইটির ইন্টারনেট হল অব ফেমেও রয়েছে টমলিনসন।

রে টমলিনসনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে টুইট করেছে জিমেইল। ওই শোক বার্তায় ই-মেইল উদ্ভাবন ও @ প্রতীক প্রচলনের জন্য রে টমলিনসনকে ধন্যবাদও জানানো হয়।






মন্তব্য চালু নেই