মেইন ম্যেনু

চলে গেলেন সাবেক মন্ত্রী এনামুল হক

হবিগঞ্জের প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এনামুল হক মোস্তফা শহীদ মারা গেছেন। রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন তিনি। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় বৃহস্পতিবার দুপুরে চিকিৎসকরা তার লাইফ সাপোর্ট খুলে দেন।

মৃত্যুকালে এই আওয়ামী লীগ নেতার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনি ও ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। তবে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে গত মঙ্গলবার রাতে তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তখনই তাকে সরাসরি আইসিইউতে নিয়ে যাওয়া হয়।

হবিগঞ্জ থেকে তিনি ছয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। শুক্রবার হেলিকপ্টারে করে তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে তার গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জে। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টায় হবিগঞ্জ ঈদগাহ মাঠে, দুপুর ২টায় মাধবপুর উপজেলা সদরে, এরপর চুনারুঘাট ঈদগাহ মাঠে এবং সব শেষে শায়েস্তাগঞ্জ ঈদগাহে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। তবে আজ বিকেলে এনামুল হকের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে জাতীয় সংসদের সাউথ প্লাজায়। সেখানেই তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। তারপর মরদেহ নিয়ে রাখা হবে বারডেম হাসপাতালের হিমঘরে।

রাজনৈতিক জীবন
তিনি ১৯৭০ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট-মাধবপুর আসন থেকে সদস্য নির্বাচিত হন এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের পর থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ১৯৭৩, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনে মোট পাঁচবার এই আসন থেকে জাতীয় সংসদের সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

পুরস্কার এবং সম্মাননা
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদান রাখার জন্য তিনি স্বাধীনতা পুরস্কার (২০০০) লাভ করেন। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এনামুল হক মুস্তাফা শহীদ ২০১৩ সালে একুশে পদক পান। চুনারুঘাট পৌর মিলনায়নটি তার নামে ‘বীর মু্ক্তিযোদ্ধা এনামুল হক মোস্তফা শহীদ অডিটরিয়াম’ রাখা হয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই