মেইন ম্যেনু

চাটমোহরে ইউপি নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন রয়েই গেল!

চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি: প্রকাশ্যে নৌকায় সিল মারা, নৌকা ব্যতিত অন্য প্রার্থীদের ভোট কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া, বহিরাগতদের দিয়ে ভয়ভীতি আর কেন্দ্র দখল করা এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সহায়তায় নৌকার প্রার্থীরা অবাধে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নৌকায় সিল মারা ঘটনায় নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন রয়েই গেল চাটমোহরে। শনিবার অনুষ্ঠিত চাটমোহরের ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে হরিপুর, ছাইকোলা ও গুনাইগাছা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা ছিল বেপরোয়া।

জনগণের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না থেকে তারা নিজেরাই ভোট কেন্দ্র দখল করে ‘নৌকা’ প্রতীকে প্রকাশ্যে সিল মেরে ‘চেয়ারম্যান’ পদ দখল করেছেন বলে বিস্তর অভিযোগ উঠেছে। ছাইকোলা হাইস্কুল ভোট কেন্দ্রে সাইফুল মেম্বার এবং প্রার্থী নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে চলেছে নৌকায় সিল মারার উৎসব। হরিপুর দূর্গাদাস উচ্চ বিদ্যালয়, সোন্দভা, চক শংকর ও আগ শোয়াইল ভোট কেন্দ্রে নৌকা ছাড়া অন্য কোন প্রার্থীর এজেন্টকে রাখা হয়নি। চেয়ারম্যান প্রার্থী ও তার লোকজন টেবিল সিল নিয়েছেন নৌকার পক্ষে।

নির্বাচন বর্জন করেন তার দুই প্রতিদ্বন্দ্বি। গুনাইগাছা, পৈলানপুর, হিয়ালদহ আর নতুনপাড়া ভোট কেন্দ্রে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে বহিরাগতরা গিয়ে অবাধে নৌকায় সিল মেরেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। নির্বাচনের শুরু থেকেই রিটার্নিং অফিসারদের ভূমিকা ছিল রহস্যজনক।

তারা বিস্তর অভিযোগ পেলেও একটি বিষয়েও পদক্ষেপ নেননি। বিশেষ করে গুনাইগাছা ও হরিপুরের বিষয়টি ছিল রহস্যে ঘোরা। অনৈতিক সুবিধার গন্ধ এখানে বিদ্যমান। রিটার্নিং অফিসাররা কোন প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগ করতে পারেননি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেউ না হয়েও প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগ করেন বলে অভিযোগ। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের যে প্রতিশ্র“তি প্রশাসন দিয়েছিল, তা কেবল ছিল কথার কথা। জনগণ তাদের মতামতের কো প্রতিফলন ঘটাতে পারেননি। ফলে নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন রয়েই গেল চাটমোহরে।






মন্তব্য চালু নেই