মেইন ম্যেনু

চাটমোহরে ৬টি ইউনিয়নে ৫৭টি ভোট কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ ॥ ভোটাররা শঙ্কিত

জাহাঙ্গীর আলম, চাটমোহর (পাবনা) : আগামী ৪ জুন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পাবনার চাটমোহর উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের নির্বাচন। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ২৩ জন, ২১৬ জন সাধারণ সদস্য ও ৬৫ জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ইতোমধ্যেই প্রচার-প্রচারণায় সরগরম প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল। পাড়ায়-পাড়ায় চলছে প্রার্থীদের ভোট প্রার্থনা। নির্বাচনী প্রচারনায় আচরণবিধি ভঙ্গের বিস্তর অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেহেলী লায়লা নির্বাচনী আচরণবিধি নিয়ে মত বিনিময় করলেও আজ অবধি আচরণবিধি লংঘনকারীদের বিরুদ্ধে কোন প্রকার ব্যবস্থা করা হয়নি।

প্রতিনিয়ত চলছে মোটর সাইকেল শো-ডাউন, মিছিল, বহিরাগতদের মহড়া, দেয়ালে পোস্টার সাটানোসহ আচরণবিধি লংঘনের নানা বিষয়। ঘটছে নির্বাচনী অফিস ভাংচুর, মারপিটের ঘটনাও। স্বতন্ত্র ও বিএনপি প্রার্থী ও সাধারণ ভোটারদের মাঝে বিরাজ করছে নানা আশংকা। স্বতন্ত্র ও বিএনপি প্রার্থীরা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে শংকিত। ইতোমধ্যে একাধিক নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। অবাধে নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘন করা হচ্ছে। ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা প্রতিপক্ষের নির্বাচনী অফিস বা ক্যাম্প ভাংচুর করেছে। ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের নিকট একাধিক অভিযোগ জমা পড়লেও, একটির বিষয়েও কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

এদিকে চেয়ারম্যান প্রার্থীরা একে অপরের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত অভিযোগ করছেন। তাতেও কর্ণপাত করা হচ্ছে না। ৬টি ইউনিয়নের ৫৭টি ভোট কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ বলে দাবি করেছেন চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীরা তাদের নিয়ন্ত্রিত ভোট কেন্দ্রে বিএনপি বা স্বতন্ত্র প্রার্থীর কোন এজেন্ট থাকতে দিবে না বলে ঘোষনা দিয়েছেন। আওয়ামী লীগের কোন কোন প্রার্থী নাকি অন্য প্রার্থীদের ভয়ভীতি দেখানোর পাশাপাশি পেশী শক্তি প্রয়োগেরও হুমকি দিয়েছেন। বিএনপি ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা যে কোন মূল্যে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন প্রশাসনের প্রতি। কিন্তু এখন পর্যন্ত প্রশাসনিক কোন ব্যবস্থা নেওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। সাধারণ ভোটাররাও রয়েছেন চরম আতংকে

চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে বিলচলন ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বাবলু (নৌকা), মোহাম্মদ আলী (ধানের শীষ), যুবলীগ নেতা সাইদুল ইসলাম (আনারস), মোঃ আকতার হোসেন (চশমা) ও বুলবুলি খাতুন (ঘোড়া)। গুনাইগাছা ইউনিয়নে মো. নুরুল ইসলাম (নৌকা), আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী রজব আলী বাবলু (আনারস) ও মো.গোলাম মওলা (ধানের শীষ)। হরিপুরে মোঃ মকবুল হোসেন (নৌকা), প্রভাষক সিরাজুল ইসলাম (ধানের শীষ) ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আবুল কাশেম সরদার (আনারস)। হান্ডিয়ালে বর্তমান চেয়ারম্যান মো. রবিউল করিম মাষ্টার (নৌকা), আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী মোঃ জাকির হোসেন (ঘোড়া), সোহেল রানা (ধানের শীষ), গোলবার হোসেন (চশমা) ও ছহির উদ্দিন স্বপন (আনারস)। ছাইকোলা ইউনিয়নে মো. নজরুল ইসলাম (নৌকা), বর্তমান চেয়ারম্যান স ম আতাউর রহমান তোতা (ধানের শীষ),আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মো. বোরহান উদ্দিন সরকার (ঘোড়া) ও জহুরুল ইসলাম (আনারস)। নিমাইচড়া ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ওরফে আল মামুন (ধানের শীষ), প্রকৌশলী কামরুজ্জামান খোকন (নৌকা) ও মো. আক্কাস আলী (আনারস)।






মন্তব্য চালু নেই