মেইন ম্যেনু

চার্লি চ্যাপলিনের জীবনের এ ঘটনাটি জানলে আবাক হবেন আপনিও

জীবনযুদ্ধে কিভাবে জয়ী হওয়া যায়? তা একমাত্র শেখা যাবে চার্লি চ্যাপলিন থেকেই। শত কষ্ট, বুকের ভেতর হাজার ক্ষত চেপে রেখে হাসাতে পারেন যিনি, তাঁর থেকে বড় ‘জয়ী’ আর কে-ই বা আছেন?

আমরা যেমন দেখিছিলাম ‌‘মেরা নাম জোকার’ ছবিতে রাজ কাপুরকে। যিনি শত কষ্ট নিয়েও হেসেছেন, হাসিয়েছেন। কাঁদতে কাঁদতেও যিনি হাসিয়েছেন মানুষকে। তিনিই তো আসল যোদ্ধা, যিনি জীবন যুদ্ধে জয়ী হয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন জয়ী হেতে হয় কিভাবে?

তবে জীবন যুদ্ধে জয়ী এমন মানুষদেরও হেরে যেতে হয়! হার মানে, একেবারে গোহারান হার যাকে বলে। দশ গোল খাওয়ার সামিল! জ্বি হ্যাঁ, চার্লি চ্যাপলিন হেরে গিয়েছিলেন।

সেটা ছিল ১৯১৫ সাল। আমেরিকার সান ফ্রান্সিসকোয় আয়োজন করা হয়েছে একটি প্রতিযোগিতার। কীসের প্রতিযোগিতা? চার্লি চ্যাপলিনের ‘ট্র্যাম্প’ চরিত্রটিকে সবথেকে ভালভাবে যিনি ফুটিয়ে তুলতে পারবেন, তিনিই চ্যাম্পিয়ন। শুধু সান ফ্রান্সিসকোই নয়, সেই সময়ে দুনিয়াজুড়ে এমন প্রতিযোগিতা, আজকের ভাষায়, ভাইরাল হয়েছিল। তা হলে সান ফ্রান্সিসকোরটাই কেন সকলে মনে রাখেন?

কারণ এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন চ্যাপলিন নিজে। বাকিদের মতো তিনিও মঞ্চে আসেন, ট্র্যাম্প-কে নকল করে দেখান। বিস্তর হাততালিও পেয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিযোগিতার শেষে দর্শক এবং বিচারকদের ভোটে কে জিতেছিলেন জানেন? জিতেছিলেন অন্য একজন।

আর চ্যাপলিন নিজে? এ নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। কেউ কেউ বলেন, তিন নম্বরে শেষ করেছিলেন চার্লি। কিন্তু বেশিরভাগ চ্যাপলিন গবেষকেরই দাবি, তিনি ফাইনাল রাউন্ডেই পৌঁছতে পারেননি! ভাবা যায়!






মন্তব্য চালু নেই