মেইন ম্যেনু

চার লেন হচ্ছে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক

ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের যাত্রাবাড়ী ইন্টারসেকশন থেকে মাওয়া পর্যন্ত সড়ককে ৪ লেনে উন্নিত করা হচ্ছে। মোট ৫৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এ সড়কের জন্য ব্যয় হবে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা। এ অর্থ দিয়ে প্রকল্পের অধীনে খুলনার পাঁচ্চর থেকে ভাংগা পর্যন্ত অংশ ধীরগতির যানবাহনের জন্য পৃথক লেনও করা হবে। মূলত পদ্মা সেতু সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চল জেলাগুলোর যোগাযোগ সহজ করতে এই প্রকল্প অনুমোদন দিচ্ছে সরকার। পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় এ সংক্রান্ত এক প্রকল্প অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিতব্য এ সভায় সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা।

অনুমোদন পেলে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যৌথভাবে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। চলতি বছরের জুন থেকে ২০২০ সাল নাগাত প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে।

কমিশন সূত্র জানায়, প্রকল্পের অধীনে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ৫ হাজার ৯৬২ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। এই অর্থ দিয়ে পরামর্শক সেবা খাতে ১১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকবে। এছাড়া এই অর্থ দিয়ে ১৮টি জিপ, ১৮টি পিকআপ, ১২টি মাইক্রোবাস ও ২১টি মোটরসাইকেল কেনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

জানা গেছে, পদ্মা সেতু ব্যবহার করে ঢাকা থেকে মাওয়া হয়ে দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোর সঙ্গে যাতায়াত ব্যবস্থা সহজতর করতে সংশ্লিষ্ট সড়কগুলোকে ৪ লেনে উন্নিত করা হবে। যানজট এড়াতে মহাসড়কগুলোতে ধীরগতি সম্পন্ন যানবাহনের জন্য আলাদা লেন থাকবে। এ ছাড়া এই সড়কের প্রতিটি ইন্টার সেকশনে ইউলূপ নির্মাণ করা হবে। যাতে গাড়ি চলাচল নির্বিঘ্ন হয়।

জানা গেছে, প্রকল্পটি ঢাকার কেরানীগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান, শ্রীনগর, লৌহজং, মাদারীপুরের শিবচর, ফরিদপুরের ভাঙ্গাকে এলাকায় বাস্তবায়িত হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত ৪ বছরে ধারাবাহিকভাবে দেশের কর্মস্থলে অবস্থিত বিভাগীয় ও জেলা শহরের সংযোগ স্থাপন হয়েছে। সড়ক বিভাগের অধীনে গত ২০ বছর ধরে এই সড়কগুলোর উন্নয়ন করা হয়েছে। এখনো অনেক মহাসড়ক রয়েছে যেগুলো চলাচলের জন্য দ্রুত মেরামত করা প্রয়োজন। আগামী ২০১৮ সাল নাগাদ পদ্মা সেতু প্রকল্প চালু করার টার্গেট নিয়েছে সরকার। এই অবস্থায় পদ্মা সেতুর যথাযথ সুফল পেতে হলে প্রস্তাবিত এই প্রকল্প অনুমোদনের বিকল্প নেই।

সূত্র জানায়, প্রকল্পের আওতায় ২৪.৮৮ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ, ১২১ লাখ ঘনমিটার মাটির কাজ, পেভমেন্ট ওয়ার্ক ৫২ হাজার ৮৫০ এলএম, ফাউন্ডেশন ওর্য়াক ১২ লাখ ৮ হাজার ১৭৮ এল এম, ১৯টি পিসি গার্ডার ব্রিজ, ৮টি আরসিসি ব্রিজ, ৫ দশমিক ৪ কিলোমিটার এপ্রোচ ব্রিজ, ২টি ফ্লাইওভার, ৪টি রেলওয়ে অভার পাস, নির্মাণ করা হবে।






মন্তব্য চালু নেই