মেইন ম্যেনু

চিকিৎসক ও প্রকৌশলীদের চাকরি শুরু ৮ম গ্রেডে

নবম গ্রেড নয়, ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ারসহ ৬ ধরনের পেশাজীবীর চাকরি অষ্টম গ্রেড দিয়েই শুরু হবে। বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বেতন বৈষম্য দূরীকরণ কোর কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, বৈঠকে দুটি সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর একটি হল- বিভিন্ন ক্যাডারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পদ সৃষ্টির প্রস্তাব জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এ কাজ সম্পাদন করা হবে। পরবর্তী এক মাসের মধ্যে তা অনুমোদনের ব্যবস্থা হবে। আরেকটি হল- ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, কৃষিবিদ, গবেষণা সংস্থার কর্মকর্তা, বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্র্তা এবং সেবাধর্মীয় প্রতিষ্ঠান (ওয়াসা-বিদ্যুৎ বিভাগ ইত্যাদি) -এই ৬ পেশাজীবী কর্মকর্তাদের চাকরি অষ্টম গ্রেড দিয়ে শুরু করা।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, জনপ্রশাসন সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাহবুব আহমেদ, শিক্ষা সচিব সোহরাব হোসাইন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে প্রকৃচির নেতৃত্ব দেন সংগঠনের সভাপতি কৃষিবিদ বাহাউদ্দিন নাসিম এমপি, মহাসচিব ফিরোজ খান, বিসিএ সাধারণ শিক্ষা সমিতির মহাসচিব আইকে সেলিম উল্লাহ খন্দকার, বিএমএ’র মহাসচিব অধ্যাপক ডা. ইকবাল আর্সলান এবং বিসিএস তথ্য ক্যাডারের মহাসচিব মো. কিবরিয়া।

জানা যায়, অষ্টম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে বিভিন্ন স্তরের পেশাজীবীদের অসন্তোষের কারণ খতিয়ে দেখতে অর্থ মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের কোর কমিটিকে আন্দোলনকারী সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলাদা বৈঠকের নির্দেশ দেন তিনি। ওই কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাহবুব আহমেদ। সদ্য ঘোষিত পে-স্কেলে বেতন বৈষম্য হয়েছে এমন অভিযোগ আসছে বিভিন্ন মহল থেকে। বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে নানা কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা লাগাতার আন্দোলন করছেন। এ নিয়ে রোববার অর্থমন্ত্রী বলেন, না জেনে শিক্ষকরা আন্দোলন করছেন। এরপর শিক্ষকদের পক্ষ থেকে অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ৮ম পে-স্কেল নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা ও পেশাজীবীদের ক্ষোভ এবং আপত্তির কারণ চিহ্নিত করতে সিনিয়র সচিবরা দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই