মেইন ম্যেনু

চিকিৎসার নামে খ্যাতিমান এক মার্কিন চিকিৎসকের লাম্পট্য

নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের একজন বিখ্যাত ও জনপ্রিয় চিকিৎসকের বিরুদ্ধে নারী রোগীদের ওপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাউন্ট সিনাই হাসপাতালের ইমারজেন্সি কক্ষের ভেতরে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মঙ্গলবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, দুজন নারী রোগীর সঙ্গে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে চিকিৎসক ডেভিড এইচ নিউম্যানের বিরুদ্ধে। তিনি একজন রোগীকে ঔষধ দেয়ার বাহানায় অনৈতিকভাবে শরীরে স্পর্শ জায়গায় হাতে দেয় এবং তাকে হস্তমৈথুন করতে বাধ্য করে। আরেক নারীর শরীরের বিভিন্ন সংবেদনশীল অংশে হাতড়িয়েছেন বলে অভিযোগ।

ইমারজেন্সি কক্ষে চিকিৎসক এবং রোগীর সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করেন এমন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন চিকিৎসা নিতে আসা ভুক্তভোগী এক রোগী। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে ডা. ডেভিডের বিরুদ্ধে তদন্তে নামে কর্তৃপক্ষ।

গত ১২ জানুয়ারি ২৯ বছর বয়সী এক নারী অভিযোগ করেন, রাত দুটার দিকে ঘাড়ে ব্যথা নিয়ে তিনি মাউন্ট সিনাই হাসপাতালের ইমারজেন্সি বিভাগে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি যৌন নির্যাতনের শিকার হন।

হাসপাতালে যাওয়ার পরই সেবিকারা আমাকে ব্যথানাশক ঔষধ দেয়। এরপর ডা. ডেভিড আমার কক্ষে আসে এবং আবার ব্যথানাশক খেতে বলে। আমি তাকে জানাই যে এর আগে একটি ডোজ দেয়া হয়েছে। এরপরেও তিনি আমাকে আরেকটি ডোজ নিতে বলেন। এতে করে আমি প্রায় সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ি। এই অবস্থায় তিনি আমার স্তনসহ শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়।

পুলিশকে ওই নারী জানিয়েছেন, হাসপাতালে আমার পরিহিত গাউনের পকেটে একটি প্লাস্টিকের ব্যাগে ডা. ডেভিডের বীর্য রাখা আছে। এটি আমি তাৎক্ষণিক ভাবে প্রমাণ হিসেবে রেখে দিয়েছিলাম।

পুলিশ জানায়, রোগীর শরীরে অনৈতিকভাবে স্পর্শের অভিযোগে ডা. ডেভিডকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ ঘটনা জানাজানি হলে, আরেক নারীও পুলিশের কাছে ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ২১ সেপ্টেম্বর ঠা-ায় আক্রান্ত হয়ে আমি ওই হাসপাতালে গিয়েছিলাম। ডা. ডেভিড চিকিৎসার নামে আমার স্তন চেপে ধরে।

এই নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে ডা. ডেভিডের বিরুদ্ধে নারীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ দায়ের করা হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ডা. ডেভিডকে বরখাস্ত করেছি। তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করা হবে।

মঙ্গলবার রাতে ৫০ হাজার ডলার নগদ এবং দেড় লাখ ডলার মূল্যের বন্ডের বিনিময়ে জামিন মিলেছে ডা. ডেভিডের। তবে তার আইনজীবী এই বিষয়ে কোন মন্তব্য করেননি।






মন্তব্য চালু নেই