মেইন ম্যেনু

চিঠি আর ছবিতে প্রেম প্রমাণ হওয়ায় রিমান্ড না মঞ্জুর

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় রিয়াজুল ইসলাম রাজু নামের এক যুবক প্রেমিকার চিঠি আর ছবির কারণে রিমান্ড থেকে রেহাই পেয়েছেন। তার বিরুদ্ধে নারী অপহরণের অভিযোগ উঠলেও তা মিথ্যা প্রমাণ হয়েছে।

জানা গেছে, ফাতেমা ইসলাম রুমা নামেরে এক নারী ডাক্তারের সঙ্গে রাজুর ছিল তিন বছরের গভীর প্রেম। তারা বিয়ের প্রস্তুতিও নিয়েছিল। তবে রুমার স্বামী বিষয়টি জানতে পেরে রাজুর বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা ঠুকে দেন। তাকে মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে গ্রেফতার করে পুলিশ।

রোববার নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট চাঁদনী রূপমের আদালতে রাজুর সাত দিনের রিমান্ড শুনানির সময় উপস্থাপন করা হয় তার সঙ্গে রুমার প্রেমের প্রমাণপত্র। আইনজীবীদের যুক্তিতর্কের পর আদালত রাজুর রিমান্ড না মঞ্জুর করেন।

রাজুর আইনজীবী অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন জানান, ভুয়া অভিযোগে রাজুকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। রাজুর সঙ্গে প্রেম ছিল রুমার। বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় আদালত রিমান্ড না মঞ্জুর করে। প্রমাণস্বরূপ আদালতে প্রেমের চিঠি ও ছবি উপস্থাপন করা হয়।

জানা গেছে, গত ১৮ জুন বন্দর কুশিয়ারা এলাকার নির্মাণ শ্রমিক আজিজুল ইসলাম সুমন ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। এতে তিনি উল্লেখ করেন, তার স্ত্রী ফাতেমা ইসলাম রুমা ফতুল্লার সাইনবোর্ড এলাকা থেকে ভূইগড় আসার পর রিয়াজুল ইসলাম রাজু তাকে নেশাজাত দ্রব্য খাইয়ে অপহরণ করে।

অভিযোগের পর র‌্যাব মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের ভূইগড় এলাকা থেকে রাতে রুমাকে উদ্ধার ও রাজুকে গ্রেফতার করে। ওই ঘটনায় রাজুর বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা করেন সুমন।

রাজুর পরিবার জানায়, রাজু ও সুমন প্রতিবেশী বন্ধু। চার বছর আগে থেকে রাজুর সঙ্গে রুমার প্রেম ছিল। তবে সুমনের দাবী, তিন বছর আগে রুমাকে তিনি বিয়ে করেন।

এদিকে তিন বছর ধরে চলা পরকীয়া প্রেমের নিষ্পত্তি টানতে রুমা ও রাজু বিয়ের সকল আয়োজন সম্পন্ন করে। গত ২২ মার্চ নারায়ণগঞ্জ শহরের এসি ধর রোডের নিউ প্রধান জুয়েলার্সে স্বর্ণালংকার বানানোর অর্ডারও দেন তারা।

বিষয়টি সুমন জানতে পেরে বাধা দেয়। তখন থেকে শুরু হয় ত্রিপক্ষীয় মন কষাকষি। শেষপর্যন্ত গত ১৮ জুন রুমা তার প্রেমিক রাজুর সঙ্গে পালিয়ে যায়।

Fatullah-Narayanganj-Photo-21-6-2015-1






মন্তব্য চালু নেই