মেইন ম্যেনু

চিরচেনা গোলমরিচের ৭টি ভিন্নধর্মী ব্যবহার!

রান্নার মশলা হিসেবে গোলমরিচ প্রায় সব বাসায় ব্যবহার করা হয়। খাবারে স্বাদ বৃদ্ধিতে এর জুড়ি নেই! খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি ছাড়াও গোলমরিচের আছে আরও কিছু ভিন্ন ব্যবহার। সর্দি-কাশি দূর করা থেকে শুরু করে কাপড়ের রং ধরে রাখা পর্যন্ত রয়েছে গোলমরিচের ভূমিকা!

১। ধূমপান ছাড়তে

আপনি কি ধূমপান ছাড়তে চাচ্ছেন, তবে গোলমরিচের তেলের ঘ্রাণ শুঁকে দেখুন। ২০১৩ সালের Journal of Alternative and Complementary Medicine এক জার্নালে প্রকাশ করেছে যে, গোলমরিচ তেলের গন্ধ নিকোটিন গ্রহণে আগ্রহ কমিয়ে দেয়। এটি গলায় হালকা ঝাঁঝের উদ্ভব করে যা ধূমপান করা থেকে আপনাকে বিরত রাখে। একটি তুলোর বলে গোলমরিচের তেল লাগিয়ে এর ঘ্রাণ নিতে পারেন।

২। কাপড়ের রং ধরে রাখতে

আপনি যদি আপনার পছন্দের কাপড়ের রং ধরে রাখতে চান, তবে ধোঁয়ার আগে এক চা চামচ গোলমরিচের গুঁড়ো ছিটিয়ে নিন। তারপর কাপড় ধুয়ে ফেলুন। কাপড়ের রং নতুনের মত উজ্জ্বল থাকবে।

৩। কাশি উপশম করতে

New England folk medicine এবং traditional Chinese medicine কাশি দূর করতে গোলমরিচের গুঁড়োর সাথে মধু মিশিয়েই খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এক চা চামচ গোল মরিচের গুঁড়ো এবং ২ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে তাতে গরম পানি দিয়ে ১৫ মিনিট জ্বাল দিন। এটি পান করুন। আপনার সর্দি কাশি অনেক কমে যাবে।

৪। পেশি ব্যথা দূর করতে

গোল মরিচের তেল ব্যথার স্থানে ম্যাসাজ করলে ব্যথা অনেকটা কমে যায়। এটি রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে ব্যথার স্থানটি গরম রাখে। দুই ফোঁটা গোলমরিচের তেল, ৪ ফোঁটা রোজমেরী তেল মিশিয়ে ব্যথার স্থানে ম্যাসাজ করুন। এর সাথে দুই ফোঁটা আদার তেল মিশিয়ে নিতে পারেন।

৫। দাঁতের ব্যথা দূর করতে

গোলমরিচের গুঁড়ো দাঁতের ব্যথার স্থানে ঘষুণ। দুই টেবিল চামচ গোলমরিচের গুঁড়ো গরম পানিতে মিশিয়ে নিন। ঠান্ডা হলে এটি দিয়ে কুলি করুন। এটি দাঁতের ব্যথা অনেকটা উপশম করে থাকবে।

৬। ত্বকের যত্নে

গোলমরিচে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান আছে যা ত্বকের জন্য উপকারী। গোলমরিচ ত্বকের ছিদ্র খুলে ত্বক ভিতর থেকে পরিষ্কার করে থাকে।

৭। রক্তপাত বন্ধ করতে

হাত-পা কেটে গেলে তার রক্ত পড়া বন্ধ করতে গোলমরিচ বেশ কার্যকরী। এর অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে রক্তপাত বন্ধ করে থাকে।






মন্তব্য চালু নেই