মেইন ম্যেনু

চিরনিদ্রায় শায়িত সৈয়দ শামসুল হক

সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হককে কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের মূল ফটকের ডান পাশের ধানক্ষেতে সমাহিত করা হয়েছে। বুধবার বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

এরপর বিকেল ৪টা ৩৫ মিনিটে তাকে সমাহিত করা হয়। এর আগে বিকেলে ৩টা ৫৫ মিনিটে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে কবির মরদেহ কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠে নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানে কুড়িগ্রামবাসীর পক্ষ থেকে কবির মরদেহ যৌথভাবে গ্রহণ করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক জাফর আলী, জেলা প্রশাসক খান মো. নুরুল আমিন, কুড়িগ্রাম পৌরসভার মেয়র আবদুল জলিল, জেলা পুলিশ সুপার তবারক উল্লাহ ও কলেজের অধ্যক্ষ সাবিহা খাতুন।

এসময় কবির স্ত্রী আনোয়ারা সৈয়দ হক, ছেলে দ্বিতীয় সৈয়দ হক, পুত্রবধূ, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কবির মরদেহ হেলিকপ্টার থেকে নামিয়ে কলেজ প্রাঙ্গণে রাখা হয়। কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠে কবির ছেলে দ্বিতীয় সৈয়দ হক কুড়িগ্রামবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, রাষ্ট্র আমার বাবার জন্য যা করেছে, তার জন্য আমাদের পরিবার প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ। বাবার ইচ্ছা অনুযায়ী বাবাকে আমরা কুড়িগ্রামে নিয়ে এসে দাফন করলাম।

কবিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সকাল থেকেই কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ভিড় জমাতে থাকে। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের নেতৃত্বে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, জেলা আওয়ামী লীগ, আওয়ামী লীগের সহযোগী অঙ্গ সংগঠন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, রংপুর থেকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ (আম্বিয়া), সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদ, শিখা সংসদ, লালমনিরহাট থেকে বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সৈয়দ শামসুল হক। তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ফুসফুসের ক্যান্সারে ভুগছিলেন।






মন্তব্য চালু নেই