মেইন ম্যেনু

ঋণ সঙ্কট

চুক্তিতে পৌঁছাতে তৎপর ইউরো জোনের অর্থমন্ত্রীরা

গ্রিসের জন্য একটি নতুন বেলআউট চুক্তির শর্তাবলীতে একমত হতে রোববার গভীর রাত অব্দি ব্রাসেলসে বৈঠক করেছেন ইউরোজোন নেতারা। এখনো বৈঠক চলছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। এর আগে গ্রিস নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্যদেশগুলোর রোববারের নির্ধারিত শীর্ষ বৈঠক বাতিল ঘোষণা করা হয়।

গ্রিসের ঋণ সঙ্কটের সমাধান এবং দেশটিকে ইউরোজোনে ধরে রাখতে একটি সমঝোতায় পৌঁছুনোর চেষ্টায় ওই জরুরি বৈঠকে মিলিত হন ইউরো জোনের অর্থমন্ত্রীরা। দুই দিন ধরে আলোচনার পর তারা গ্রিসের জন্য একটি নতুন শর্ত সম্বলিত প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন। কিন্তু গ্রিসের এক সরকারি কর্মকর্তা ওই প্রস্তাবপত্রকে ‘খুব খারাপ’ বলে উল্লেখ করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অন্য এক কর্মকর্তা বলেছেন এই প্রস্তাবের কিছু শর্ত গ্রিক প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সিস সিপ্রাস এবং তার বামপন্থি সিরিজা সরকারের জন্য ‘অপমানজনক’।

এর আগে ব্রাসেলসে গ্রিসের ওপর অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে দুই বার বিরতি দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী সিপ্রাস, জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মের্কেল, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ফাঁসোয়া হঁলাদ এবং ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টাস্কের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার জন্য এই বিরতি দেয়া হয়। রোববার রাত থেকে ফের বৈঠক শুরু করেছেন অর্থমন্ত্রীরা। বৈঠক এখনো চলছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

এদিকে রোববার গভীর রাতে ইউরো অর্থমন্ত্রীরা চার পাতার যে খসড়া প্রস্তাব দিয়েছেন তার প্রধান শর্তগুলো হচ্ছে:

১. আগামী বুধবারের(১৫ জুলাই) মধ্যে এই সংস্কার প্রস্তাবটি গ্রিক পার্লামেন্টে অনুমোদিত হতে হবে।
২. শ্রমবাজার এবং পেনশন খাতে ব্যাপক সংস্কার করতে হবে।

৩. খসড়া প্রস্তাবটি সঠিকভাবে মেনে চলা হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করতে এথেন্সে সশরীরে অবস্থান করবে আন্তর্জাতিক ঋণদাতারা।
৪. বেসরকারিকরণের জন্য ৫০ বিলিয়ন মূল্যের গ্রিক সম্পদ জমা দিতে হবে।

তাৎক্ষণিকভাবে ওই প্রস্তাব সম্পর্কে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি গ্রিস। তবে চার পাতার ওই প্রস্তাবে সম্মত হওয়া গ্রিসের জন্য অত্যন্ত কঠিন হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কেননা এর কয়েকটি শর্ত প্রধানমন্ত্রী সিপ্রাস এবং তার সরকারের জন্য অবমাননাকর।

দাতাদের শর্ত মেনে নিয়ে বুধবারের মধ্যে এতে রাজি হলেও নিস্তার নেই সিরিজা সরকারের। কেননা এর অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম তদারকি করতে আন্তর্জাতিক দাতাদের এথেন্সে অবস্থান করার অনুমতি দিতে হবে যা একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশের জন্য লজ্জাকর।






মন্তব্য চালু নেই