মেইন ম্যেনু

চুয়াডাঙ্গায় ইয়াবাসহ দুই মেডিকেল রিপ্রেজেনটেটিভ আটক

ৱ্যাব-৬’র পাতা জালে ধরা পড়েছে ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের মেডিকেল রিপ্রেজেনটেটিভ আলমডাঙ্গার বন্দরভিটা গ্রামের নাজমুল ইসলাম নাজিম ও আলমডাঙ্গা কলেজপাড়ায় ভাড়ায় বসবাসকারী ঈশ্বরদীর দাসুড়িয়ার রুবেল ওরফে রনি। গত শনিবার রাত ৯টায় ২৭২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, দুটি মোবাইলসেট ও প্রায় ১০ হাজার টাকাসহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কৌশলে ৱ্যাব তাদেরকে আটক করে।
জানা গেছে, ৱ্যাব-৬ গোপনসূত্রে জানতে পারে উপজেলার বন্দরভিটার খবির উদ্দীনের ছেলে নাজমুল ইসলাম নাজিম (৩৭) আলমডাঙ্গা শহরের থানাপাড়ায় ভাড়া থাকেন। তিনি ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেডের মেডিকেল রিপ্রেজেনটেটিভের চাকরি করলেও তার আড়ালে ইয়াবার ব্যবসা করে আসছেন। এছাড়া শহরের কলেজপাড়ায় বসবাস করেন পাবনা জেলার ঈশ্বরদীর দাসুড়িয়ার নূরুল আমিনের ছেলে রুবেল ওরফে রনি (২৯)। রনির স্ত্রী আলমডাঙ্গা পল্লি বিদ্যুত সমিতিতে চাকরি করেন। সেই সূত্রে তিনি কলেজপাড়ায় বসবাসের পাশাপাশি ইয়াবা ব্যবসায়ও বেশ পসার জমিয়েছেন। গতকাল এক সোর্সকে দিয়ে ৱ্যাবের একটি মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনাকারী দল রুবেল ওরফে রনির নিকট থেকে ইয়াবা কেনে। পরে ৱ্যাব-৬’র ক্যাম্প কমান্ডার এএসপি আব্দুর রাজ্জাক মিয়ার নেতৃত্বে একটি দল গিয়ে রুবেল ওরফে রনিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। সে সময় রুবেল জানায় তিনি থানাপাড়ায় বসবাসকারী মেডিকেল রিপ্রেজেনটেটিভ হিসেবে পরিচিত নাজমুল ইসলাম নাজিমের নিকট থেকে কিনে ইয়াবা খুচরা বিক্রি করেন। আসলে পাইকারী ইয়াবা ব্যবসায়ী নাজমুল ইসলাম নাজিম।
এ তথ্য জানার পর ৱ্যাব রুবেল ওরফে রনিকে সাথে নিয়ে রাত ৯টার দিকে থানাপাড়াস্থ নাজিমের ভাড়াবাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় নাজিমের বাড়ি থেকে ২৭২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, দুটি মোবাইল ও ৯ হাজার ৮৮০ টাকা উদ্ধার করে। এ সময় আটক দুজনকে ৱ্যাব ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়।
অন্যদিকে, আলমডাঙ্গার একটি সূত্র জানিয়েছে, নেশা করার অপরাধে প্রায় ২০/২৫ দিন পূর্বে নাজিমকে ইনসেপ্টা কোম্পানি চাকরিচ্যুত করেছে।






মন্তব্য চালু নেই