মেইন ম্যেনু

চুয়াডাঙ্গায় মন্ত্রণালয়ের নামে চিঠি দিয়ে প্রতারণা : বিকাশে টাকা নেয়ার ফাঁদ

আব্দুর রহমান(জসিম): চুয়াডাঙ্গায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চিঠি পাঠিয়ে প্রতারণা করা হচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বিদ্যালয় উন্নয়ন প্রকল্পের নামে চিঠি পাঠানো হয়েছে চুয়াডাঙ্গার বেশ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। এম. আশরাফুল আলম নামে পরিচয় দিয়ে জনৈক ব্যক্তি নিজেকে উপসচিব হিসেবে পত্রে উপস্থাপন করে মোটা অঙ্কের টাকা বরাদ্দ দেয়ার লোভ দেখিয়ে বিকাশের মাধ্যমে টাকা আদায় করছেন।
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার বেশ কয়েকজন প্রতিষ্ঠান প্রধান বলেন চিঠি প্রাপ্তির পর সংশ্লিষ্ট নম্বরে ফোন দিলেই মোবাইলে বিকাশ করার কথা বলা হচ্ছে। উপজেলার সৃজনী মডেল মাধ্যমিক বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক আহাদ আলী মোল্লা জানান, বুধবার ডাকযোগে একটি চিঠি আসে স্কুলে। এম আশরাফুল আলম চৌধুরী (উপসচিব) প্রকল্প পরিচালক, (প্রমোট-২য় প্রকল্প) পরিচয় ব্যবহার করে চিঠিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ইউরোপিয়ান কমিশনের যৌথ উদ্যোগে প্রমোট (বিদ্যালয় উন্নয়ন-২য় প্রকল্প) আপনার বিদ্যালয়ে উন্নয়নের জন্য এক কালীন কিছু আর্থিক সাহায্য করতে ইচ্ছুক। চিঠি পাওয়া মাত্র ০১৫৫৬৫৫৮৩১৪ মোবাইলে কথা বললে বাধিত হবো।’ চিঠিটা খুলে ওই নম্বরে কল দিলে বলা হয় আপনার বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য সরকার ৬ লাখ ৬৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। টাকা পাওয়ার জন্য ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর চান তিনি। অ্যাকাউন্ট নম্বর নিয়েই ফিরতি একটি মোবাইল নম্বর (০১৭২৩৪৬১১০৫) দেন তিনি। তাতে কয়েক হাজার টাকা বিকাশ করে দিতে বলেন। যাতে স্কুলের বরাদ্দ তাড়াতাড়ি পাওয়া যায়। বিকাশে টাকা পাঠানোর কথা বললে সন্দেহ হয় আহাদ আলী মোল্লার। জেলার ওসমানপুর-লক্ষ্মীপুর নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ওসমানপুর ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ জানান তাদের প্রতিষ্ঠানেও চিঠি দিয়ে টাকা চাওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে আলমডাঙ্গা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার দিনেশ চন্দ্র পাল বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের নাম ভাঙিয়ে বরাদ্দ দেয়ার নামে যে চিঠি দেয়া হচ্ছে তা ভুয়া। ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর কোনো বিধান নেই। এটা প্রতারণা ছাড়া কিছুই নয়।






মন্তব্য চালু নেই