মেইন ম্যেনু

চৈত্রের তীব্র গরমেও ঘনকুয়াশা!

চৈত্রের তীব্র দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন। তীব্র গরমের সঙ্গে বাতাস না থাকায় তা যখন সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গেছে, ঠিক তখনই দিনাজপুরে দেখা গেছে আবহাওয়ার উল্টো চিত্র। এই জেলায় চৈত্রের তীব্র গরমেও সকাল থেকে ঘনকুয়াশা পড়তে শুরু হয়েছে। আবহাওয়ার এই উদ্ভট চিত্র অনেকের মনে বিস্ময় জাগিয়েছে।

সোমবার সরেজমিনে দেখা গেছে,সকাল থেকে ঘনকুয়াশার চাদরে ঢেকে আছে জেলার অধিকাংশ এলাকা। সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত দেখা মিলছে না সূর্যের। অনেক স্থানে হেড লাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চালাতে দেখা গেছে। তবে ঘনকুয়াশা থাকলেও শীতের কোনো আমেজ লক্ষ্য করা যায়নি।

অনেকে বিষয়টিকে অবাক করার মতো ঘটনা বলে মনে করছেন।

দিনাজপুরের কৃষক মমতাজ মন্ডল বলেন, ‘আরো কত কিছু দেখমো বাহে। শেষ যুগ আইছে না। মানুষ যেংক্যা (যেমন) বদলি গেছে, আল্লাও আবহাওয়া সেংক্যা (তেমন) বদলায়ে দিচে।’

শ্রমজীবী রবিউল বলেন, ‘সারারাত গরমের জ্বালায় ঘুমাতে পারি নাই। হামরা গরিব মানুষ। কারেন্ট (বিদ্যুৎ) নেওয়ার মতো ট্যাকা পয়সা নাই। তাই গরমোত ঘুমাই। কাল রাতোত খুব গরম পড়ছিল। ভোরের দিকে রোশ (কুয়াশা) পড়ায় একটু আরাম পাইছি।’

এদিকে তীব্র গরমে সারাদেশে জনজীবনে স্থবিরতা নেমে এসেছে। গতকাল রবিবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৪০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার পর্যন্ত দেশে গরমের তীব্রতা থাকবে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।

গরমে নাকাল হতে হচ্ছে রাজধানীবাসীকেও। যে সময় রাজধানীর ব্যস্ত এলাকা ফার্মগেট থাকে জনতায় ঠাসা, এখন সেখানে অনেকটাই ফাঁকা দেখা গেছে। পথচারীরা বলছেন, গরম সহ্য করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

আবহাওয়া অফিস বলছে, ১২ এপ্রিল পর্যন্ত এই গরম সহ্য করতে হবে দেশবাসীকে।






মন্তব্য চালু নেই