মেইন ম্যেনু

ছাত্রদল কর্মী ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় আইন সম্পাদক!

২০১০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের সাংগঠনিক সম্পাদক আদনান আলম বাবুর (সরপো বাবু) হাত ধরে ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত হন আল নাহিয়ান খান জয়। বাবু এখন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক। আর নাহিয়ান খান জয় এখন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির আইন সম্পাদক। জয় এখনো জহুরুল হক হলের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১২ সালে ছাত্রলীগের জহুরুল হক হলের উপ-আইন বিষয়ক সম্পাদক থাকাকালে দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিষ্কার হয়েছিলেন জয়। এরপর ‘ওপরের লেভেল’ ম্যানেজ করে দলে ফেরেন বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত থাকা পরিবারের সদস্য আল নাহিয়ান খান জয়।

জয়ের বাড়ি বরিশালের বাবুগঞ্জে। তার ফুফাতো ভাই ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আদনান আলম বাবু। জয়ের চাচাতো ভাই কামরুল হাসান হিমু বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি। গত উপজেলা নির্বাচনে তিনি বিএনপি-জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন। কিন্তু নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও তিনি বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হয়েছেন।

জয়ের বাবা আব্দুল আলীম খান ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনে বাবুগঞ্জ থেকে বিএনপির ডামি প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেছিলেন। স্থানীয় বিএনপির রাজনীতিতে তিনি অর্থায়ন করেন-এমন কথাও প্রচলিত আছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আল নাহিয়ান খান জয় পরিবারের সদস্যদের বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত থাকার কথা স্বীকার করে বলেন, বর্তমানে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আমার বাবা বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত নন। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ১৯৯৬ সালে নির্বাচন করেছিলেন। তবে চাচাতো ভাই কামরুল হাসান হিমু বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত। আর ফুফাতো ভাই আদনান আলম বাবু ছাত্রদলের রাজনীতি যুক্ত। তবে তাদের সঙ্গে আমার রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই।






মন্তব্য চালু নেই