মেইন ম্যেনু

ছাত্রলীগ নেত্রী লাঞ্ছিত: প্রতিমন্ত্রীর ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা

রংপুর: কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক সুমনা আক্তার লিলিকে (২৭) শ্লীলতাহানি ও শারিরীকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে শ্রমিক নেতা মহিউল আহম্মেদ মহির (৫০) বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে কোতোয়ালি থানায় মামলাটি করেন ঘটনার শিকার নেত্রী। তবে বুধবার মামলার বিষয়টি জানতে পারেন সংবাদকর্মীরা।

অভিযুক্ত মহিউল আহম্মেদ মহি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিইডি) প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙার ছোট ভাই। তিনি ব্যাটারি চালিত অটো রিকশা মালিক-শ্রমিক সমবায় সমিতির রংপুর জেলা সভাপতি।

মামলার বাদী সুমনা আক্তার লিলি রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার ইকরচালি গ্রামের আইয়ুব আলীর মেয়ে এবং ঢাকা ইডেন কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী।

মামলা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে লিলি তার বড় ভাই তারাগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহীদ বকশী (৩০) ও তারাগঞ্জ উপজেলা পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান তুহিনহসহ (২৮) রংপুরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল সংলগ্ন আমের আড়তে আম কিনতে যান। এসময় প্রতিমন্ত্রী রাঙার ছোট ভাই মহি মোটরসাইকেল নিয়ে ওই পথ দিয়ে যাচ্ছিলেন। এক পর্যায়ে মহি রাস্তায় সাইড নেয়ার জন্য মোটরসাইকেলের হর্ন দেন। তবে আম কিনতে ব্যস্ত থাকা লিলি ও বকশীর তা কর্ণপাত না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন মহি।

এসময় বকশী নিজের রাজনৈতিক পরিচয় দিয়ে বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার কথা বললে মহি ক্ষিপ্ত হয়ে বকশীকে গালিগালাজ করে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন। পরে লিলি এগিয়ে গিয়ে তার রাজনৈতিক পরিচয় দিলে মহি আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন এবং লিলিকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করাসহ শারিরীকভাবে লাঞ্ছিত করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে, ঘটনাটি স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতা কর্মীদের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে তারা রাতেই কোতোয়ালি থানায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন।

এসময় বিক্ষুদ্ধ নেতা-কর্মীরা থানার ফটকে দাঁড়িয়ে অবিলম্বে মহিকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। পরে সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) আতাউর রহমান থানায় গিয়ে বিক্ষুদ্ধ নেতা-কর্মীদের শান্ত করেন।

এদিকে রাত সাড়ে ৯টার দিকে লিলি বাদী হয়ে মহিকে আসামি করে কোতোয়ালি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। বুধবার বিষয়টি জানাজানি হয়।

এব্যাপারে কোতোয়ালি থানা পুলিাশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবিএম জাহিদুল ইসলাম জানান, ছাত্রলীগ নেত্রী লিলি মামলা করেছেন। আমরা ঘটনাটি খতিয়ে দেখছি।






মন্তব্য চালু নেই