মেইন ম্যেনু

ছাত্রীর যৌন হেনস্তা: এসআই রতনের বিরুদ্ধে পরোয়ানা

আশা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগে করা মামলায় রাজধানীর আদাবর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রতন কুমারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।

বিচার বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মেলায় মঙ্গলবার ঢাকার ৪ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. সালেহ উদ্দিন আহমেদ এই পরোয়ানা জারি করেন।

গত ১ ফেব্রুয়ারি আশা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সম্মান প্রথম বর্ষের ওই ছাত্রী শ্লীলতাহানির অভিযোগে ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা করেন। বিচারক ওই দিনই মামলাটির বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন।

ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট ইমদাদুল হক মামলাটির বিচার বিভাগীয় তদন্ত করেন। তদন্তে তিনি ঘটনার শিকার ওই ছাত্রীসহ পাঁচজনের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দি দেওয়া অপর চারজনের মধ্যে ওই ছাত্রীর মা, স্বামী এবং প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী শুকুর আলী ও খোকন রয়েছেন।

তদন্তে প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে গত ১০ ফেব্রুয়ারি ট্রাইব্যুনালে প্রতিবেদন দাখিল করেন ঢাকা মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট ইমদাদুল হক।

মামলায় বলা হয়, গত ৩১ জানুয়ারি বেলা আড়াইটার দিকে আশা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস শেষে শ্যামলী রিংরোড থেকে রিকশাযোগে ওই ছাত্রী মিরপুর থানার শিয়া মসজিদের দিকে যাচ্ছিল। তার ভ্যানিটি ব্যাগে ২০০ পিস ইয়াবা আছে এমন কথা বলে জাপান গার্ডেন সিটির পাশে তার রিকশা থামায় আদাবর থানার এসআই রতন কুমার। এসময় তার সঙ্গে আরও দুই পুলিশ সদস্য ছিল।

এক পর্যায়ে তারা বাদিনীকে জাপান গার্ডেন সিটির সুইটের ইলেকট্রনিক্স দোকানে ঢোকায়। এরপর এসআই রতন কুমার বাদিনীর জ্যাকেট এবং ব্যাগ তল্লাশি করে। ব্যাগে কোন ইয়াবা না পাওয়ায় মালিককে দোকান থেকে বের করে ওই ছাত্রীর শরীরে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালায়।






মন্তব্য চালু নেই