মেইন ম্যেনু

ছারপোকার ‘সহ্যক্ষমতা’ বেড়েছে বহুগুণ!

ছারপোকাদের কীটনাশক সহ্য করার ক্ষমতা আগের তুলনায় বহুগুণ বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এক গবেষণার বরাতে এমনটিই বলছে বিবিসি।

‘জার্নাল অব মেডিক্যাল অ্যান্টোমোলোজি’ তে এই গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে।

সিনসিন্যাটি ও মিশিগানে ছারপোকাদের উপর চালানো এক পরীক্ষায় গবেষকরা দেখতে পান, এগুলোকে ধ্বংস করতে আগে যে ধরনের কীটনাশক ব্যবহার করা হতো তারচে হাজার গুণ বেশি শক্তিশালী কীটনাশকের প্রয়োজন হচ্ছে।

বিজ্ঞানীরা এখন ভাবছেন, ছারপোকার বংশ নাশ করতে কীটনাশক ব্যবহার না করে অন্যকোনো উপায় খোঁজা প্রয়োজন।

গবেষণাপত্রটির নেতৃত্বদানকারী লেখক নিউ মেক্সিকো স্টেট ইউনিভার্সিটির ড. আলভারো রমেরো বলেন, ‘আমাদের বিকল্প কোনো উপায় অনুসন্ধানের ব্যাপারে জোর দেয়া উচিৎ। আমরা সম্পূর্ণরূপে কেমিক্যালসের উপর নির্ভর করতে পারি না। আমাদের অন্য বিকল্পগুলোর সমন্বয় করা প্রয়োজন।

বিশ্বব্যাপী জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং দেশে বিদেশে মানুষের ভ্রমণ বেড়ে যাওয়ার ফলে চ্যাপ্টা আকারের ছারপোকা এখন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে।

বিশ্বে জনসংখ্যা বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি দেশ-বিদেশে মানুষ বেশি ভ্রমণ করার ফলে সারা পৃথিবীতেই এই উপদ্রব সৃষ্টিকারী পোকা ছড়িয়ে পড়ছে।

স্বল্পমূল্যের হোটেলগুলোতেই এই রক্তচোষা পোকাগুলো বেশি জন্মায় এবং সেখান থেকেই মূলত ছড়িয়ে পড়ে। এই পোকাগুলো মূলত রাতের বেলাতেই বেশি সক্রিয় থাকে।

হোটেলগুলোতে আসা মানুষেরা ঘুমিয়ে যাওয়ার পর এই পোকাগুলো রক্তপান করা শুরু করে। আর এতে করে মানুষের শরীরে লাল রঙের ছোপ ছোপ দাগ পড়ে।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ছারপোকা রক্ত না পান করে একবছর সময় পর্যন্ত বাঁচতে পারে।

বহুতল একটি ভবনে এই পোকা ছড়িয়ে পড়ার জন্য একটি মেয়ে ছারপোকাই যথেষ্ঠ।






মন্তব্য চালু নেই