মেইন ম্যেনু

ছিটমহলে জনগণনার চূড়ান্ত রিপোর্ট কাল

বাংলাদেশ ও ভারতের অভ্যন্তরে থাকা উভয় দেশের ১৬২টি ছিটমহলের যৌথ জনগণনা ১৬ জুলাই শেষ হয়েছে।

আজ সোমবার বিকেলে ভারতের চ্যাংড়াবান্ধায় দুই দেশের যৌথ জরিপ দল বৈঠক করে ছিটমহলের জনগণনার রিপোর্ট প্রস্তুত করবে। রিপোর্ট তৈরির পর আজ রাতেই তা সংশ্লিষ্ট জেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

কাল মঙ্গলবার বাংলাদেশের ১১১টি ছিটমহলের রিপোর্ট রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের কাছে জমা দেওয়া হবে। সেখানে একটি বিশেষ সফটওয়্যারের মাধ্যমে জনগণনার চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রকাশ করা হবে।

যৌথ সমীক্ষার ১১ দিনে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে থাকা ভারতীয় ১১১টি ছিটমহলের প্রায় ১ হাজার ৩০০ বাসিন্দা ঠিকানা পরিবর্তনের আবেদন করেন। জনগণনার শেষ দিনে এসে প্রায় ৩০০ জন তাদের মত পরিবর্তনের আবেদন করেন।

ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটির নেতারা জানান, প্রাথমিকভাবে এসব ছিটমহল থেকে ১ হাজার ২৭ জন বাসিন্দা মূল ভূখণ্ড ভারতে যেতে ইচ্ছা পোষণ করেছেন। অন্যদিকে, ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের কোনো বাসিন্দাই ঠিকানা পরিবর্তনের আবেদন করেননি। এসব ছিটমহল আগামী ৩১ জুলাই মধ্যরাত থেকে মূল ভূখণ্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে বিনিময় সম্পন্ন হবে।

১৯৭৪ সালের চুক্তি অনুযায়ী এ সমীক্ষা কাজের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে- ছিটমহলবাসী কে কোন দেশের নাগরিক হতে চান। নাগরিকত্ব পরিবর্তনে মতামত দেওয়া মানুষগুলো আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত নাগরিকত্ব পরিবর্তনের সুযোগ পাবেন। হালনাগাদ কার্যক্রমে ২০১১ সালের পর ছিটমহলে জন্ম নেওয়া শিশু ও বৈবাহিক সূত্রে ছিটমহলের বাসিন্দাদের এই সমীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ও ভারতের অভ্যন্তরে ১৬২টি ছিটমহলে ৭৫টি টিম দুই দেশের যৌথ সমীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ভারতের অভ্যন্তরে ২৫টি ও বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ৫০টি টিম দায়িত্ব পালন করে। প্রতি টিমে একজন বাংলাদেশি ও একজন ভারতীয় অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।






মন্তব্য চালু নেই