মেইন ম্যেনু

ছিয়াশিতেও কোকিলকণ্ঠি লতা…

লতা মঙ্গেশকর শুধু ভারতীয় নয়, বরং উপমহাদেশের এক স্বনামধন্য গায়িকা। দেখতে রূপসী হলেও অভিনয় জগতে আসেননি তিনি, তবে বলিউডে তার বিচরণ সেই আগে থেকেও ছিল এখনো আছে। ‘দ্য নাইটেঙ্গল অফ বলিউড’ খ্যাতি তাই নিজের নামের আগে জুড়ে আছে লতা মঙ্গেশকরের। আজ এই কোকিলকণ্ঠি ৮৫ পেরিয়ে ৮৬-তে পা রাখলেন।

এ পর্যন্ত প্রায় হাজারের বেশী ভারতীয় ছবিতে গান করেছেন তিনি। এছাড়া ভারতের ২০টি অঞ্চলিক ভাষাতেও গান গাওয়ার রেকর্ডটি একমাত্র তারই । বাংলাতে তার আছে অসংখ্য জনপ্রিয় গান। ভারতের সর্বোচ্চ সম্মান ভারত রত্ন পাওয়া তিনিই দ্বিতীয় সঙ্গীতশিল্পী। ২৮ সেপ্টেম্বর এই গূণী শিল্পী পা রাখলেন ৮৬ বছরে।

পাঁচ বছর বয়সে ক্যারিয়ার শুরু হয় লতা মঙ্গেশকরের। বাবা দীননাথ মঙ্গেশকরের কাছে তালিম নেওয়া শুরু করেছিলেন তিনি। বাবার মিউজ়িক্যাল ট্রুপেই তার প্রথম গান গাওয়া। তবে প্রথম থেকেই তার নাম লতা ছিল না। ছিল হেমা। পরে বাবার এক নাটকের প্রধান মহিলাচরিত্র লতিকার নামানুসারে তার নাম হয় লতা।

১৯৪৩ সালে মারাঠি ছবিতে প্রথম গান গাওয়া শুরু লতা মঙ্গেশকরের। এরপর মোম্বাই চলে আসেন লতা। হিন্দুস্থানি ক্লাসিকাল মিউজ়িকের তালিম নেওয়া শুরু করেন আমানত আলি খানের কাছে। হিন্দি ছবিতে লতার প্রথম কাজ শুরু ১৯৪৬ সালে। “আপ কি সেবা মে”-তে। শুধু ক্লাসিকালই নয়। সংগীতের প্রয়োজনে উর্দুও শিখেছিলেন তিনি। উর্দু ভাষায় গানও গেয়েছিলেন।

পাঁচের দশকে অনিল বিশ্বাসের কম্পোজ়িংয়ে অনেক গান গেয়েছিলেন লতা মঙ্গেশকর। তারপর নৌশাদ, এস ডি বর্মণ, সলিল চৌধুরী, আর ডি বর্মণ, মহন মোহন, হেমন্ত কুমার, লক্ষ্মীকান্ত পেয়ারেলালের মতো অনেক মিউজ়িক ডিরেক্টরের সঙ্গে কাজ করেছেন। হাল আমলের অনু মালিক, যতীল ললিত, আদেশ শ্রীবাস্তব, এ আর রহমানের সঙ্গেও তাঁর একাধিক হিট গান আছে।






মন্তব্য চালু নেই