মেইন ম্যেনু

ছুটিতে চলুন লেপচাদের গ্রামে, দার্জিলিং থেকে সামান্য দূরেই লেপচাজগৎ

পাহাড়ঘেরা মিষ্টি গ্রাম লেপচাজগৎ। ব্রিটিশরা আসার পর পরিচিতি পেয়েছিল এই আদিবাসী গ্রাম। এখন যা জনপ্রিয় ‘উইকেন্ড ডেস্টিনেশন’! মধুচন্দ্রিমার জন্যও আদর্শ জায়গা। ওক, পাইন, রডোডেনড্রনে মোড়া রাস্তার দু’ধার। ‘মেঘ এখানে গাভীর মতো চরে’— যা মাঝে মাঝেই ঢেকে দেয় কাঞ্চনজঙ্ঘাকে। আকাশের মুখ ভার না থাকলে অবশ্য কাঞ্চনজঙ্ঘা হতাশ করবে না আপনাকে। সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত দেখার স্বর্গীয় অভিজ্ঞতাটা কিছুতেই মিস্‌ করবেন না। বাহারি ফুল ছাড়াও প্রচুর পাখি চোখে পড়বে এখানে। ফায়ার-টেল্‌ড সানবার্ডের মতো বিরল প্রজাতির পাখিও। হাঁটতে বেরিয়ে ক্যামেরা রেডি রাখবেন সব সময়। আর বাইনোকুলারও। ফরেস্ট ট্রেল ধরে যতদূর মন চায় হেঁটে বেড়ান। পাশেই রয়েছে বিশাল চা-বাগানও। বিরল প্রজাতির কিছু অর্কিডের দেখা মেলে এই গ্রামে।

দার্জিলিং থেকে ১৯ কিলোমিটার দূরে লেপচাজগত্। হাতে যদি বেশি সময় থাকে, লেপচাজগৎ ট্যুর প্যাকেজেই ঢুকিয়ে নিতে পারেন মিরিক, ঘুম, মানেভঞ্জন, বাতাসিয়া লুপ বা জোরপোখরির মতো জায়গাগুলো। কালিম্পং-কার্শিয়ংও ঘুরে আসা যায় এখান থেকে। এতগুলো জায়গা যাওয়ার সময় না থাকলে লেপচাজগৎ থেকে গাড়ি নিয়েই ঘুম মনাস্ট্রি, মিরিক লেক দেখে আসুন।

কীভাবে যাবেন: লেপচাজগতে যাওয়ার সেরা সময় অক্টোবর থেকে এপ্রিল। বাস বা ট্রেনে গেলে নিউ জলপাইগুড়ি থেকে, বিমানে গেলে বাগডোগরা থেকে গাড়ি পেয়ে যাবেন। দার্জিলিংয়ে যাওয়ার পথে ঘুম’এ নেমেও শেয়ার ট্যাক্সিতে যেতে পারেন।

কোথায় থাকবেন: থাকার ঠিকানা বলতে ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ফরেস্ট ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড’এর রিসর্টই সবচেয়ে জনপ্রিয়। আগে থেকে বুকিং করে রাখতে পারেন। কলকাতায় হিন্দ সিনেমার পাশে রাজা সুবোধ মল্লিক স্কোয়্যারের অফিস থেকে। এছাড়া অন্যান্য হোম স্টে’র ব্যবস্থাও রয়েছে লেপচাজগতে।






মন্তব্য চালু নেই