মেইন ম্যেনু

ছেলেদের মেরুদণ্ড শক্তিশালী জন্মগতভাবে-ই

শারীরিক বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী নারীর চেয়ে পুরুষই অধিক শক্তিশালী। তবে অনেকে এটিকে মানতে চাইতেন না। তাদের ধারণা কেবল কাজের ধরণ এবং সুযোগের কল্যানেই পুরষ বেশি শক্তিশালী। নতুবা এ ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ উভয়েই সমতার দাবিদার। তবে সম্প্রতি এক গবেষণায় সেই প্রাচীন ধারণারই সত্যতার প্রমাণ পেলেন বিজ্ঞানীরা। গবেষণায় দেখা গেছে নারীর তুলনায় পুরুষই বেশি শক্তিশালী। এর কারণ নারীর চেয়ে পুরুষের মেরুদণ্ডের অন্তঃস্থ হাড় ১০ দশমিক ৬ শতাংশ প্রশস্ত।

গবেষণাটি চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসের দ্য সাবান রিসার্চ ইনিস্টিটিউট অব চিলড্রেন হাসপাতাল। গবেষণার ফলাফল জার্নাল অব পেডিয়াট্রিকসের অনলাইন সংস্করণে প্রকাশ করা হয়েছে।

গবেষকরা তাদের গবেষনার জন্য স্বাস্থ্যবান ৩৫ টি ছেলে ও ৩৫টি মেয়ে শিশু বেছে নিয়েছিলেন। এসব শিশুর দৈহিক উচ্চতা, ওজন , মাথা ও কোমরের পরিমাপ নিয়ে দেখা গেছে লিঙ্গভেদে এগুলোর মধ্যে কোন ফারাক নেই। যখন তারা মেরুদণ্ডের প্রস্থের মাত্রা পরিমাপ করলেন তখনই অসমতা বিষয়টি দেখা গেল। এতে দেখা যায় ছেলে শিশুর মেরুদণ্ডের প্রস্থ মেয়ে শিশুর তুলনায় ১০ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি।

গবেষণায় দেখা যায়, জীবনকালে একজন পুরুষের তুলনায় নারীর হাড় কম জমাট বাঁধে। এর ফলে তার মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙ্গে যাওয়ার ঝুঁকি পুরুষের তুলনায় দ্বিগুন থেকে চারগুন পর্যন্ত বেশি।

গবেষণা প্রতিবেদনের জ্যেষ্ঠ লেখক ভিসেন্ট গিলসানজ বলেন, ‘মানুষই একমাত্র স্তন্যপায়ী প্রাণী যাদের মধ্যে এই পার্থক্য দেখা গেছে এবং লিঙ্গভিত্তিক যে কয়টি স্বল্প মুখ্য পার্থক্য রয়েছে এটি তার মধ্যে অন্যতম।’

তিনি বলেন, ‘যদিও আমরা জানতে পেরেছি ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের মেরুদণ্ডের হাড়ের প্রশস্ততা কম, তবে এই পার্থক্যটা কতো আগে থেকে শুরু হয় তা জানতে পারিনি।’






মন্তব্য চালু নেই