মেইন ম্যেনু

ছেলের ক্রিস্টমাস আবদার মেটাতে মা পর্নো স্টার!

সব বাবা-মাই চায় তাদের ছেলে-মেয়েকে খুশি রাখতে। ছেলে-মেয়ের আবদার পূরণ করতে। অনেক সময় আবদার পূরণ করতে বাবা-মাকে করতে নিদারুণ কষ্টও। কিন্তু এটাতো একটু বেশি বেশিই হলো মনে হয়! কী জানি, নাও হতে পারে। কোন মা-ই বা চায় অন্য বাচ্চারা যখন হেসেখেলে আনন্দ করছে, ক্রিসমাসের পার্টিতে হইচই করছে, তার বাচ্চার তখন মুখভার। পাশে বসে মাকে অনুযোগ করছে, ক্রিসমাস গিফটে সে খুশি নয়, মায়ের তো খারাপ লাগবেই। বিশেষত, তিনি যখন সিঙ্গেল মাদার। ছেলে আবদার করতে পারে, এমন কেউও নেই, বাবার দায়িত্বটাও থাকে তার।

হ্যা, বলছি পর্নোস্টার মেগান ক্লারার কথা। ইংল্যান্ডের পোর্টসমাউথের এই সিঙ্গল মাদার নিজেই জানিয়েছেন তার পর্নো দুনিয়ায় আগমনের ইতিকথা। তিনি জানিয়েছেন গত তিন বছর ধরে তার ছেলে একটা বাইকের জন্য বায়না করছিল। তিনি স্থির করেন বাইক কিনে দেবেন কিন্তু কোথায় পাবেন এত টাকা? সব মিলিয়ে তখন তার উপার্জন ছিল সপ্তাহে বাংলাদেশি টাকায় সাড়ে ৯ হাজারের মতো। তবে দৃঢ়চেতা মেগান ক্লারা তখনই মনে মনে প্রতিজ্ঞা করে ফেলেছিলেন, এই ক্রিসমাসে ছেলেকে এমন উপহার দেবেন, ছেলে খুশিতে আত্মহারা হয়ে যাবে।

মেগান সিদ্ধান্ত নেন অ্যাডাল্ট ছবিতে অভিনয় করবেন। এক একটা ছবির জন্য নেবেন ৫০০ পাউন্ড (প্রায় ৬০ হাজার টাকা)। ব্যস, পাল্টে গেছে দিন। গতবার যেখানে ১০০ পাউন্ড খরচ করেছিলেন, এ বার ক্রিসমাসের আগেই ছেলের হাতে তুলে দিয়েছেন ১,৫০০ পাউন্ডের উপহার।

ইংল্যান্ডের পোর্টসমাউথের এই সিঙ্গল মাদার মুখে তৃপ্তির হাসি নিয়ে গণমাধ্যমে বলেন, ‘২০০ পাউন্ড খরচ করে ছেলে অ্যাস্টনকে এ বার একটা বাইক (বাইসাইকেল) কিনে দিয়েছি। গত তিন বছর ধরে ও এই বাইকটার জন্য বায়না করছিল। আমি দিতে পারিনি। এ বার ক্রিসমাস গিফটে সেই কাঙ্ক্ষিত বাইক দিতে পেরে আমি আপ্লুত।’ শুধু বাইকই নয়, নতুন জামা, চকোলেট, ঘর সাজানোর উপকরণ, খেলনা কিছুই বাদ দেননি।

মেগান আরো বলেন, ‘লোকজনের অভিযোগ, আমি নাকি আদর দিয়ে ছেলেকে বাঁদর তৈরি করছি। কিন্তু, আদতে তা নয়। ও আমার একমাত্র ছেলে। শুধু ছেলে নয়, ও আমার বন্ধুও, বেস্ট ফ্রেন্ড। ওকে খুশি রাখতে আমি যা-কিছু করতে পারি।’

মেগান যখন ১৪, সেই কিশোরী কোলে আসে অ্যাস্টন। এখন মেগান ২০, ছেলে ৬। এরপর, চাইলে মেগান আবার স্কুলে যেতে পারত। নিজের পড়াশোনা নিয়ে থাকতে পারত। কিন্তু, ছেলেকে বড় করার স্বপ্নে, নিজের দিকে খেয়াল দেননি। এই যুবতী মায়ের কথায়, আমি সবসময় চেষ্টা করেছি, ছেলেকে সেরা জিনিসটা দিতে। সেভাবেই ওকে বড় করছি। অভাবটা ওকে বুঝতে দিইনি কখনও। কিন্তু, ওর স্কুলের বন্ধুদের সঙ্গে পাল্লা দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না। ওর বন্ধুরা ক্রিসমাসে দামি দামি উপহার পেত। আমি সেখানে ১০০ পাউন্ডও খরচ করতে পারতাম না। এই সামান্য টাকায় নতুন জামা কিনব, চকোলেট কিনব না খেলনা, বুঝে উঠতে পারতাম না। ছেলেও মনক্ষুণ্ণ হত। আর তার জন্যই বেছে নেওয়া অ্যাডাল্ট ছবি।

পোর্টসমাউথের এই যুবতীর কিশোরীবেলার স্বপ্নই ছিল একদিন গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ডে বিচরণ করবেন। মডেল হবেন। টিনএজে পৌঁছে মডেলিংকেই পেশা করেন। কিন্তু, শুধু মডেলিং করে অনেক অনেক পাউন্ড উপার্জন সম্ভব নয়। তাই চলে আসেন পর্নো ছবির দুনিয়ায়।

মেগানের কথায়, আমি জানি অ্যাডাল্ট ফিল্মে অভিনয় করলে লোকে ভালো চোখে দেখে না। কিন্তু, আমার এ নিয়ে কোনও হীনম্মন্যতা নেই। আমরা মা-ছেলে আজ ইচ্ছেমতো দামি জামকাপড় পরতে পারি, চাইলে মাসে কয়েক দিন ‘ইটিং আউট’, এতেই আমরা খুশি। পাঁচজনের ভাবনার পরোয়া করি না। যে যতই কুত্‍‌সা করুক, দিনের শেষ এটা জানি, আমি একজন গ্রেট মম।’






মন্তব্য চালু নেই