মেইন ম্যেনু

জঙ্গিদের মেরে ফেলায় হোতারা আড়ালেই থাকছে : ফখরুল

পুলিশের অভিযানে সন্দেহভাজন জঙ্গিদেরকে হত্যা করায় তাদের মূল হোতারা আড়ালে চলে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার রাজধানীতে তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবসের আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন ফখরুল।

সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে যুক্তরাজ্যে যান। সেই থেকে এই দিনটিকে তারেক রহমানের কারামুক্তির দিবস হিসেবে পালন করে আসছে বিএনপি। এই দিবসের আগের দিনই এই আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ ছাত্র ফোরাম ও উত্তরাঞ্চল ছাত্র ফোরাম নামে দুটি সংগঠন।

মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের একটি বড় অংশ জুড়েই ছিল পুলিশের জঙ্গিবিরোধী অভিযানের সমালোচনা।তিনি বলেন, ‘জঙ্গিদের ধরে মেরে ফেলা হচ্ছে। তাই আমরা জানতে পারছি না এর মূল হোতা কারা। ’

পুলিশের জঙ্গিবিরোধী অভিযানে সন্দেহভাজন জঙ্গিদের নিহত হওয়ার ঘটনাটি নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রশ্ন তোলার পর একই সুরে কথা বললেন ফখরুল। গত বৃহস্পতিবার রাজধানীতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনায় খালেদা জিয়া বলেছিলেন, ‘ওদেরকে গুলি করে মারা হচ্ছে কেন? দেশে আইন আছে, আদালত আছে। এর কারণ কী? এর পেছনে নিশ্চয়ই গোপন রহস্য আছে।’

দলীয় চেয়ারপারসনের এমন মন্তব্যের পর দিন মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগ একেক সময় একেক ইস্যু তৈরি করে। তবে এখন তারা নিজেদের ফাঁদে পড়েছে। এতদিন বিএনপিকে তারা জঙ্গিদল বলে প্রচার করেছে। আজ সত্যিই জঙ্গি চলে এসেছে। সরকারকেই খুঁজতে হবে কী কারণে এ হামলা হচ্ছে।’

বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে রাজনীতির প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘তারেক রহমান গণমানুষের নেতা , তিনি তৃণমূলের নেতা কর্মীদেরকে শক্তিশালী করেছেন। এ জন্যই তারেক রহমানকে নির্বাসিত করা হয়েছে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তারেক রহমান অবশ্যই দেশে ফিরে আসবেন। সেদিন লাখো মানুষ হবে তাকে বরণ করার জন্য।

আওয়ামী লীগ স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছে বলে মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগ স্বাধীনতা সংগ্রমে নেতৃত্ব দিয়েছে এ কথা অস্বীকার করলে চলবে না। কিন্তু তারা ক্ষমতায় গেলে ক্ষমতার লোভ তাদের পেয়ে বসে। ক্ষমতা আকড়ে থাকতে চায় তারা। ৭৫ সালের আগেও রক্ষীবাহিনী গঠন করেছে, আর এখন জনগণের উপর অত্যাচার করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চাইছে। কিন্ত আমরা তা হতে দেব না। জনগনকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই সরকারের পতন ঘটাবো।’

বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম ওবায়েদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য বাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা শাহ্ মোয়াজ্জেম হোসেন, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মোহাম্মদ শাহজাহান প্রমুখ।






মন্তব্য চালু নেই