মেইন ম্যেনু

জঙ্গিরাই খুনি, হত্যার মোটিভও পরিষ্কার

যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের সাবেক কর্মকর্তা, অধিকারকর্মী জুলহাজ মান্নান ও তার বন্ধু নাট্যকর্মী মাহবুব রাব্বী তনয় হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্তত পাঁচজনের ছবি চিহ্নিত করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

খুনিরা নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের (এবিটি) স্লিপার সেলের সদস্য বলেই ধারণা তদন্তকারীদের। এর আগেও এবিটির স্লিপার সেলের এই সদস্যরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল। তদন্ত সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার অব্দুল বাতেন বলেছেন, ‘ঘটনাস্থল ও আশপাশের ভিডিও ফুটেজ দেখে কয়েকজন দুর্বৃত্তকে চিহ্নিত করা গেছে। ঘটনাস্থল থেকে জব্দকৃত আলামত তদন্তে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। এ পর্যায়ে হত্যার মোটিভ সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাওয়া গেছে।’

খুব দ্রুতই ঘৃণ্য চক্রের এসব দুর্বৃত্তদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে বলে জানান এ গোয়েন্দা কর্মকর্তা।

গত সোমবার রাজধানীর কলাবাগান থানা এলাকায় জুলহাজ ও তার বন্ধুকে হত্যার পরপরই ঘটনাস্থলের আশপাশ থেকে তিনটি ভিডিও ফুটেজসহ অন্তত দশটি গুরুত্বপূর্ণ আলামত জব্দ করা হয়।

পরবর্তীতে সেসব আলামত পর্যালোচনা করে তদন্তে এখন পর্যন্ত জুলহাজ-তনয় হত্যাকাণ্ডে জড়িতরা উগ্র মৌলবাদী গোষ্ঠীর সদস্য হতে পারে বলে অনেকটাই নিশ্চিত হওয়া গেছে।

বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যার মোটিভ বা কারণ সম্পর্কেও কিছুটা পরিষ্কার ধারণা পাওয়া গেছে। খুনিদের গ্রেপ্তার করতে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে অভিযান চলছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, ঘটনার শুরুতে অনেকগুলো কারণ সামনে রেখে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হয়। তবে তদন্তের এ পর্যায়ে তাদের কাছে মনে হচ্ছে, সমকামীদের অধিকার বিষয়ক পত্রিকা ‘রূপবান’র সম্পাদক হিসেবে জুলহাসের ভূমিকাকে উগ্র মৌলবাদী গোষ্ঠীর সদস্যরা ভালোভাবে নেয়নি।

তদন্তে এখন ব্যক্তিগত কোনো কারণে জুলহাজ ও তার বন্ধুকে খুন করা হতে পারে এমন তথ্যও পাওয়া যায়নি। গোয়েন্দারা মনে করছেন, ব্যক্তিগত কারণে কাউকে খুন করার জন্য এতবড় ঝুঁকি নিয়ে কেউ কাউকে খুন করবে না।






মন্তব্য চালু নেই