মেইন ম্যেনু

জনগণ চাইলে ক্ষমতায় আসতে পারেন

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্যে করে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু বলেছেন, ‘আওয়ামীলীগ জ্বালাও পোড়াওয়ের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। এ কারণে দ্বিতীয়বারের মত জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছে। জ্বালাও পোড়াও ছেড়ে দিন, জনগণ চাইলে ২০১৯ সালের নির্বাচনে ক্ষমতায় আসতে পারেন।’

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলা পরিষদ মাঠে বৃহস্পতিবার বিকেলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

আমু বলেন, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘খালেদা জিয়া বলেছিলেন, শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন করবেন না। নাকে খত দিয়ে তিনি পৌর নির্বাচনে অংশ নিলেন। সেখানেও জনগণ তাদের প্রত্যাখান করেছে।’

বেসমারিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ যখন মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত হচ্ছে ঠিক তখনই বিএনপি-জামায়াত আবার মাঠে নেমেছে। এদের সঙ্গে যোগ হয়েছে জঙ্গিবাদ। চারদলীয় জোট আমলে দেশে শায়খ আব্দুর রহমান ও বাংলা ভাইয়ের রাজত্ব কায়েম হয়েছিল। আজকে আবারও হত্যাযজ্ঞ শুরু হয়েছে। মাজারে, মসজিদে হামলা চালিয়ে মানুষ হত্যা করা হচ্ছে। তারা জঙ্গিবাদকে আশ্রয় দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার পায়তারা করছে।’

পানি সম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, ‘দেশ বিরোধী অপশক্তিকে কোনো ছাড় দেয়া হবে না। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চলমান উন্নয়ন প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে জনগণ আজ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করা হবে।’

কাজীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত আলীর সভাপতিত্বে জনসভায় আরও বক্তব্য দেন সাবেক এমপি তানভীর শাকিল জয়, উপজেলা চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক সরকার, পৌর মেয়র নিজাম উদ্দিন প্রমুখ।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া, সিরাজগঞ্জ চেম্বারের প্রেসিডেন্ট আবু ইউসুফ সূর্য্য, কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী জান্নাত-আরা-তালুকদার হেনরী, কৃষকলীগ নেতা আব্দুল লতিফ তারিন প্রমুখ।






মন্তব্য চালু নেই