মেইন ম্যেনু

জনজীবন, ভাষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক ৩দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন

ওমর ফারুক সোহান: প্রতিবেশী ভারতের যে রাজ্যগুলো আমাদের ঘিরে রয়েছে তাদের সঙ্গে আমাদের ভাষা, মূল্যবোধ, ইতিহাস ও সংস্কৃতির অনেকটাই মিল রয়েছে। কিন্তু এই মিল কতটুকু তা আমাদের অনেকেরই অজানা”। অমর একুশে ও আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রতিবেশী-ভারতের রাজ্যসমূহের জনজীবন, ভাষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক তিনদিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম এ কথা বলেন।

সোমবার বেলা ১১ টায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পিএইচ এ অডিটোরিয়ামে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন করে তিনি আরো বলেন- এই সম্মেলনের মাধ্যমে দু’দেশের প্রতিবেশী রাজ্যসমূহের মধ্যে জানার পরিধি যেমন বাড়বে তেমনি আরোও সুদৃঢ় হবে আমাদের বন্ধুত্ব ”। তিনি ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের সর্বাত্মক সহযোগিতার জন্য আনুষ্ঠানিক কৃতজ্ঞতাও জানান।

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মেসবাহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এমিরিটাস অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। প্রবন্ধে তিনি বলেন- বাংলাদেশের প্রতিবেশী ভারতের যে রাজ্যগুলো আছে সেগুলোর সঙ্গে আমাদের ভাষা, মূল্যবোধ ও সংস্কৃতিতে মিল থাকলেও পার্থক্য হচ্ছে রাজনৈতিক। প্রতিবেশী ও বন্ধু ছাড়া যেমন একজন মানুষের পক্ষে বেঁচে থাকা অসমম্ভব তেমনি ভাল বন্ধু বা প্রতিবেশী পেতে হলে অবশ্যই তাকে জানতে হবে।

সম্মেলন স্বাগত বক্তব্য রাখেন সম্মেলনের আহবায়ক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এটিএম আতিকুর রহমান ও গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মনসুর মুসা। অনুষ্ঠানে বিদেশি অতিথিদের পরিচয় করে দেন সম্মেলনের সমন্বয়ক ও গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. রাহমান চৌধুরী।

প্রতিবেশীকে জানুন” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এ সম্মেলনে বাংলাদেশ ও প্রতিবেশী দেশ ভারতের বিহার, ওড়িশা, ঝাড়খন্ড, নাগাল্যান্ড, মনিপুর, আসাম, মিজোরাম, অরুণাচল, পশ্চিমবাংলা ও ত্রিপুরা রাজ্য থেকে পঞ্চাশের বেশি গবেষক, শিক্ষক, কবি ও সাহিত্যিক অংশ নিচ্ছেন। তারা তাদের রাজ্যসমূহের জনজীবন, ভাষা ও সংস্কৃতি এবং নিজস্ব গবেষণার সার সংক্ষেপ তুলে ধরবেন। প্রথম দিনে মোট তিনটি সেশনে আন্তজার্তিক সম্পর্ক ও ভূগোল, আঞ্চলিক সংস্কৃতি এবং ধর্ম ও সাংস্কৃতিক সাদৃশ্য বিষয়ে মোট সতেরজন গবেষক ও শিক্ষক তাদের প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

দিনশেষে লালনের গান পরিবেশন করেন কুষ্টিয়ার লালন একাডেমির বাউলরা।

২৩ ফেব্রæয়ারি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জহির রায়হান মিলনায়তনে। ২৪ ফেব্রæয়ারি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পি এইচ এ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে সমাপনী অনুষ্ঠান।






মন্তব্য চালু নেই