মেইন ম্যেনু

জনপ্রিয়তা বাড়লে দ্রুত নির্বাচন দিক : গয়েশ্বর

বাংলাদেশের রাজনীতি ও গণতন্ত্রবিষয়ক মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাম্প্রতিক এক জনমত জরিপের বিষয়কে সামনে রেখে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘সরকারের যদি জনপ্রিয়তা বেড়েই থাকে, তাহলে একটি নতুন নির্বাচন দিতে তাদের ভয় কিসের? এ জরিপের ফলাফলে উজ্জীবিত হয়ে সরকার দেশ-বিদেশে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নতুন নির্বাচন দিক।’

নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নীচে শুক্রবার সকাল সোয়া ১১টার দিকে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচী ও ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও তারেক রহমানের ৮ম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষ্যে এ ক্যাম্পের আয়োজন করে ডক্টরস এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)।

এ সময় ড্যাবের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, অর্থপেডিকস বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রফিক আল কাদেরী, শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এমএ কামাল হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাইফুল ইসলাম সেলিম, ডা. গোলাম মোস্তফা ও বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আজ দেশে গণতন্ত্র নেই। বাক স্বাধীনতা নেই। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বলতে কিছু নেই। দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন চলছে। শিগগির গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে।’

তিনি চিকিৎসকদের উদ্দেশে বলেন, ‘দেশের চিকিৎসক সমাজের শতকরা ৮০ ভাগই শহীদ জিয়ার আদর্শের অনুসারী। তারা সরকারের রোষানলে পড়ে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। বিনা কারণে অনেক চিকিৎসকের চাকরি খাওয়া হচ্ছে।’

বিএনপির এই নেতা চিকিৎসকদের আরও বেশি করে মানুষের সেবা করার আহ্বান জানান।

প্রসঙ্গত: বাংলাদেশের রাজনীতি ও গণতন্ত্রবিষয়ক মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) সাম্প্রতিক এক জনমত জরিপে বলেছে, নির্বাচনের বিষয়ে দেশে রাজনৈতিক বিভাজন অব্যাহত থাকলেও বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষের কাছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সমর্থন বেড়েছে। দেশের চলমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে লোকজনের মনোভাব ইতিবাচক, অর্থনীতির ভবিষ্যৎ নিয়েও তারা আশাবাদী। তবে তাদের কাছে দুর্নীতি এখনও সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয়।






মন্তব্য চালু নেই