মেইন ম্যেনু

জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন পূরণের আগেই গুলিতে প্রাণ গেল নাঈমের

নাঈম কাদির ভাট। তবে বন্ধুদের কাছে পরিচিত মার্টিন গুপটিল হিসবে। তবে বাবার চোখে সে ছিল সুনীল গাভাসকার। দারুণ মারকুটে ব্যাটসম্যান সে। ব্যাট হাতে যে কোন বোলারদের তুলোধুনো করে ছেড়ে দিতেন অনায়াসে।

কাশ্মীরে জন্ম নেয়া নাঈমের বাবা স্বপ্ন দেখতেন ছেলে একদিন জাতীয় দলে খেলবে। কিন্তু তা আর হলো কই? নিরাপত্তাকর্মীদের গুলিতে তাদের সে যাত্রার সমাধি ঘটল। কাশ্মীর ক্রিকেট লিগের প্রতিনিধিত্ব

করা নাঈমের প্রাইজগুলোর দিকে তাকিয়েই তার বাবা-মা বারবার কেঁদে বলে উঠছেন, আমাদের গাভাসকারকে ফিরিয়ে দাও।

শ্রীনগর থেকে ৬৯ কিলোমিটার দূরে হান্দওয়ারা। এক স্কুলছাত্রীর শ্লীলতাহানিকে কেন্দ্র করে গত মঙ্গলবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ওই এলাকা। সেই সময় একদল যুবক চড়াও হয় নিরাপত্তারক্ষী বাহিনীর উপর। পালটা গুলি চালায় পুলিশও। গুলিতে প্রাণ যায় তিনজনের। তারমধ্যে ছিল নাঈমও।

নাঈমের ভাই জহুর জানিয়েছেন, তার ভাই নাঈমের কোনো দোষই ছিল না। সে প্রতিবাদেও যায়নি। মা সবজি আনতে তাকে দোকানে পাঠিয়েছিল। এমনকি গুলি লেগে মাটিতে লুটিয়ে পড়ার সময়ও সবজির ব্যাগটি হাতেই ধরেছিল নাঈম।

তিনি আরো জানান, ছোটো থেকেই ভারতীয় দলে খেলার স্বপ্ন ছিল নাঈমের। সচীন টেন্ডুলকার, রাহুল দ্রাবিড়দের ছবিগুলো এখনো দেওয়ালে টাঙানো রয়েছে তার ঘরে। শুধু সে নেই।






মন্তব্য চালু নেই