মেইন ম্যেনু

জানা গেল সাকিবের ব্যাক্তিগত জীবনের অজানা কিছু তথ্য

সাকিব আল হাসান। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা। সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তি বললেও ভুল হবে না।সাকিবকে নিয়ে ভক্তদের কৌতূহলের শেষ নেই। তাদের জন্যই সাকিবের কিছু অজনা তথ্য এখানে তুলে ধরা হলো।

সাদাসিধেঃ
মানুষ হিসেবে তিনি সাদাসিধে। জুম্মার দিনে বাসায় থাকলে পায়ে হেঁটেই মসজিদে চলে যান। রাস্তায় তাকে দেখে কেউ কথা বলতে এগিয়ে আসলে কুশল বিনিময় করেন হাসিমুখে।নামাজ পড়ে ফেরার পথেও অনেক সময় গল্প করতে করতে বাসায় ফেরেন অচেনা কোন ভক্তের সাথেই! কাজের লোক থাকার পরেও অধিকাংশ সময় কলিংবেল বাজলে নিজেই দরজা খোলেন সাকিব।

বিল্ডিং এর দারোয়ান,কেয়ারটেকার কিংবা ড্রাইভারদেরও সম্বোধন করেন ‘আপনি’ বলে!

দানশীলঃ
নিয়মিত যাকাত আদায় করেন সাকিব।বিল্ডিং এর কর্মচারীদেরও প্রায়ই বখশিশ দেন। দুই ঈদ তো আছেই এর বাইরেও বিভিন্ন সময় খেয়াল-খুশিমতো এই কাজটি করে থাকেন তিনি। গত বিগব্যাশের আগে অস্ট্রেলিয়া যাবার আগেও বখশিশ দিয়ে গেছেন তাদেরকে। এর বাইরেও অনেক সময়ই অনেক গরীব মানুষকেই আর্থিক সাহায্য করেন বলে জানা যায়।

প্রতিবেশীদের সাথে সুসম্পর্কঃ
বিল্ডিং এর অন্য ফ্ল্যাটের মানুষজনের সাথে সহজ স্বাভাবিক সম্পর্ক আছে সাকিবের পরিবারের। রমযানের সময় অন্য বাসা থেকে যেমন ইফতার পান, নিজের বাসা থেকেও ইফতার পাঠান। রোযার মাসে মাঝে মাঝেই বিল্ডিং এর গ্যারেজে ইফতার পার্টির আয়োজন করেন সাকিব।

ড্রাইভিংপ্রেমী সাকিবঃ
একাধিক গাড়ি থাকলেও ড্রাইভার রেখেছেন মাত্র একজন।। তাও অধিকাংশ সময় কেটে যায় অলসভাবে। নিজের প্রয়োজনে সাকিব যে সবসময় নিজেই ড্রাইভ করতে পছন্দ করেন!

তবে পরিবারের অন্যদের প্রয়োজনে ড্রাইভারটি মাঝে মাঝে গাড়ি চালানোর সুযোগ পেলেও, প্রায় সময়ই বেচারাকে টুকটাক বাজারের কাজে সাহায্য করেই দিন পার করতে হয়!

ফুটবলপ্রেমীঃ
ক্রিকেটের বাইরে ফুটবল তার প্রিয় খেলা। সুযোগ পেলেই ফুটবল খেলতে নেমে পড়েন তিনি। এমনও হয়েছে ড্রাইভারের ছোট্ট সাইকেলটি চালিয়েই খেলার মাঠে চলে গেছেন সাকিব!

পোশাকে মার্জিত সাকিবঃ
অন্যরা হাফপ্যান্ট পরে খেললেও লম্বা ট্রাউজার ছাড়া কখনই মাঠে নামেন না সাকিব! তবে, দুই দলের এক দল যখন জার্সি পরে ও আরেক দল খালি গায়ে খেলা শুরু করে, তখন অনেক সময় বাধ্য হয়েই তাকেও খালি গায়েই ফুটবল খেলতে হয়!






মন্তব্য চালু নেই