মেইন ম্যেনু

জাবির বটতলার ৫ খাবারের দোকানের বরাদ্দ বাতিল

শাহিনুর রহমান, জাবি প্রতিনিধি: সকালের খাবার দুপুড়ে ও রাতে বিক্রির পর বাকি খাবার ফ্রিজে রেখে দিনের পর দিন বাসি পঁচা খাবার বিক্রি করছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয়ের বটতলাসংলগ্ন দোকানগুলো। প্রতিদিন ফ্রিজে রাখা বাসি খাবার বিক্রি করায় এবং অবিক্রিত পঁচা খাবার ফ্রিজে রাখা এবং পরেরদিন আবারো বিক্রির অভিযোগে ৫টি খাবার দোকানের বরাদ্দ বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলার খাবারের মানোন্নয়ন ও মূল্য তালিকা পূণনির্ধারণ করার জন্য গত ২৭ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট ফরিদ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক মিটিংয়ে মওলানা ভাসানী হলের আবাসিক শিক্ষক ড. মো. কামরুল হাসানকে আহ্বায়ক করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, মওলানা ভাসানী হল ও আ ফ ম কামাল উদ্দিন হলের শিক্ষকদের নিয়ে মোট ৯ সদস্য বিশিষ্ট একটি যৌথ কমিটি গঠন করা হয়।

মঙ্গলবার যৌথ কমিটির মিটিং শেষে রাত ৮.৩০ টার দিকে বটতলার (নিদিষ্ট খাবারের স্থান) খাবারের মানোন্নয়ন ও পরিবেশনের স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষে বটতলার দোকানগুলোতে ঝটিকা অভিযান চালিয়ে এই বরাদ্দ বাতিল করে। পরে দুটি দোকানে জরিমানাও করা হয়।

অভিযানের নেতৃত্বদানকারী শিক্ষক ড. মো. কামরুল হাসান বলেন, অনেক দোকানে বাসি পঁচা খাবার খাওয়ানো হচ্ছে। তাছাড়া বাসি পঁচা মাছ ও মাংস দিয়ে নানা ধরনের ভর্তা তৈরি করা হয়। এগুলো আবার ফ্রিজে রেখে খাওয়ানো হচ্ছে। এছাড়া নোংরা পরিবেশে খাবার রান্না ও পরিবেশনও করা হচ্ছে। ফলে মওলানা ভাসানী হলের অধীনে দোকানগুলোর মধ্যে সালাম ও হারুন অর রশিদের দোকান এবং আ ফ ম কামাল উদ্দিন হলের অধীনে মনোয়ারার (খালা) দোকানের বরাদ্ধ বাতিল করা হয়েছে এবং শাহাজাহান ও মালেকের দোকানকে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

দোকান বরাদ্ধ বাতিল করলেই কি সমস্যার সমাধান হবে এমন এক প্রশ্নের জবাবে ড.কামরুল হাসান বলেন, অভিযান শেষে আমরা মে মাসেই খাবারের মূল্য তালিকা নির্ধারণ এবং ছাত্র-শিক্ষক-দোকানদারদের সঙ্গে বসে বটতলার খাবারের মান এবং পরিবেশন যেন স্বাস্থ্যকর হয় সে রকম একটি নীতিমালা তৈরি করা হবে।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা খাবারের মানোন্নয়নের জন্য শিক্ষকদের পরিচালিত এ অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।






মন্তব্য চালু নেই