মেইন ম্যেনু

জাবি প্রক্টরের অপসারন দাবিতে অনঢ় শিক্ষার্থীরা

শাহাদত হোসাইন স্বাধীন, জাবি প্রতিনিধি : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) প্রক্টরের অপসারণে শিক্ষার্থীরা অনঢ় অবস্হান রয়েছে। ধারাবাহিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে আজকের (৭ মে) সংহতি সমাবেশে আন্দোলনকারীরা অবস্হান পুনর্ব্যক্ত করেন।

জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোট,প্রগতিশীল ছাত্রজোট,সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী ছাত্র ঐক্য পরিষদের ব্যানারে জাহাঙ্গীরনগরের শহীদ মিনার প্রাঙ্গনের মহুয়ার তলায় অনুষ্ঠিত সংহতি সমাবেশে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও শিক্ষক মন্ডলী সংহতি জানান।

উল্লেখ্য গত ২৪ এপ্রিল তনু হত্যার বিচার দাবিতে হরতালের সমর্থনে ঢাকা আরিচা মহাসড়কে অবস্হানরত শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশ হামলা চালায়।

এ ঘটনায় প্রক্টর অধ্যাপক তপন কুমার সাহার বিরুদ্ধে হামলায় মদদ দান ও দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ এনে আজ ১২ দিনের মতো টানা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

আজকের সংহতি সমাবেশে আন্দোলনকারী জোট নেতাকর্মীর পাশাপাশি সাধারণ ছাত্রদের উপস্হিতি ছিলো লক্ষনীয়। অনুষ্ঠানেরর শুরুতে দর্শন বিভাগের অধ্যাপক আনেয়ার উল্লাহ বলেন,”শিক্ষার্থী বিরোধী প্রক্টর তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। তাই প্রক্টরের অপসারণ অবদি আন্দোলন অব্যাহত রাখার পরামর্শ দেন জোট নেতাদের।

জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি জোবায়ের টিপু বলেন,”প্রক্টরের দায়িত্ব শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিধান করা,কিন্তু এই প্রক্টর শিক্ষার্থীদের পুলিশের হাতে দেন। এই লজ্জা রাখবো কোথায়,প্রশাসন আজ প্রক্টরের অপসারণে নানা গড়িমসি করলেও আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।”

বক্তব্য রাখেন জাবি শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সেক্রেটারী সুস্মিতা মরিয়ম,জাহাঙ্গীরনগরের সাবেক ছাত্র ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী নাছির উদ্দীন প্রিন্স ও ছাত্র ইউনিয়ন জাবি শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিক আহমেদ।

সমাবেশ এ সংহতি প্রকাশ করতে এসে নৃবিক্ষান বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক সহকারী প্রক্টর সাইদ ফেরদৌস বলেন, “দায়িত্ব আমরা ও পালন করেছি,কিন্তু এই প্রক্টর হয়ে গেছে শিক্ষার্থীদের নয় বিশেষ গোষ্ঠীর। সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক নাসিম আখতার হোসাইন বলেন,”প্রক্টর তপন কুমার সাহা দায়িত্ব গ্রহণের শুরুতে ক্যাম্পাসে বিতর্কিত কর্মকান্ড করেই যাচ্ছে। তিনি বলেন,আজ গর্জে উঠার দিন,জেগে উঠার দিন। বিতর্কিত প্রক্টর তপন কুমারের অপসারণে আমার সংহতি,সমর্থন অব্যাহত থাকবে”।

অনুষ্ঠান শেষে জাবি শাখা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি দীপান্জন সিদ্ধার্থ কাজল পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করেন। পরবর্তী কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ৮ ও ৯ মে গণসংযোগ ও ১০ মে মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।






মন্তব্য চালু নেই