মেইন ম্যেনু

জামায়াতের টাকায় চলে ২০ দলীয় জোটের অনেক দল!

বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের ছোটখাট অনেক দলই চলে শরিকদল জামায়াতে ইসলামীর টাকায় এমন অভিযোগ ওঠেছে। জোটের অন্তত আটটি দলের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ বেশি। জামায়াত থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়টি অনেকে আকারে ইংগিতে বলেছেন ঠিক কিন্তু সরাসরি স্বীকার করেননি কেউ।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের অনেকগুলো দল নামসর্বস্ব সাংগঠনিকভাবে দুর্বল আর সারাদেশে কমিটিও নেই। নিবন্ধনহীন কিছু দলও আছে এই জোটে। অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল এসব দলের অনেকেই চলছে জামায়াতের টাকায় এমন অভিযোগও খোদ জোটের ভিতরেই। অভিযোগকারীরা বলছেন ছোটখাট এসব দলের অফিস ভাড়া থেকে শুরু করে অনেক খরচই যোগায় জামায়াত।

জোটভূক্ত ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ লেবার পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি, ন্যাপ ভাসানী, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল, ডেমোক্রেটিক লীগ, পিপলস লীগ, এবং এন পি পি এই আট দলের সব রাজনৈতিক কর্মকান্ড জামায়াতের টাকায় চলে বলে জোটে গুঞ্জন আছে। এজন্য জোটের নীতিনির্ধারনী বৈঠক কিংবা অন্য ফোরামেও আট দলকে দেখা যায় জামায়াতের পক্ষে সাফাই গাইতে।

সম্প্রতি জামায়াতকে জোটের বাইরে রাখতে খালেদা জিয়ার ওপর নানামুখী চাপ বাড়ছে। কিন্তু ওই আট দল সবসময় রয়েছে জামায়াতের সমর্থনে। কিন্তু অভিযোগ মানতে রাজি নন নেতারা।

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, ‘আমরা আমাদের মিত্র যে কোন দলকে পারস্পরিক সহযোগিতায়, র্পাপরিক সম্পর্ক স্থাপনে তাদের সাথে আমরা সুসম্পর্ক রাখতেই পারি। এটাতো অনৈতিক না’।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ইনাম আহমেদ চৌধুরী এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলছেন, অন্যের সহায়তায় এভাবে দলকে বেশি দূর এগিয়ে নেয়া সম্ভব নয়।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ইনাম আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘লেবার পার্টিকে কে ফাইন্যাস করবে। জাপাকে কে ফাইন্যান্স করবে। এগুলো রাজনৈতিক কারণে তারা টাকা পেতে পারেন। কিন্তু সে যে তাদের খুব কর্মক্ষম করে রাখবে তা নয়’।

এইসব দলের বাইরেও জামায়াতের টাকা অনেকে পায়। সরকারও জামায়াতের টাকা পায়। আমিতো জামায়াতের খাজাঞ্চি খানার লোক না কে টাকা পায় কে টাকা পায় না সেটা জানি না। তবে এরকম জনশ্রুতি আছে।

জোটকে বড় দেখাতে নামসর্বস্ব দুর্বল দল নয় বরং জনপ্রিয় দলের ছোটখাট জোট করাই মর্যাদাকর বলছেন বিএনপিরই অনেক নেতা। সূত্র: ইনডিপেনডেন্ট টিভি

এ বিষয়ে একটি ভিডিও প্রতিবেদন দেখতে এখানে ক্লিক করুন






মন্তব্য চালু নেই