মেইন ম্যেনু

জার্মানিতে ইতিহাস গড়ে প্রথম মুসলিম স্পিকার

জার্মানিতে ইতিহাস গড়লেন মুসলমানরা। দেশটিতে প্রথমবারের মতো কোনো মুসলিম ব্যক্তি একটি প্রদেশের পার্লামেন্ট স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন। ইতিহাস সৃষ্টিকারী সেই রাজনীতিকের নাম মুহতেরেম আরাস। তিনি গ্রিন পার্টির সদস্য। তার বয়স মাত্র ৪০ বছর।

গত বুধবার জনপ্রিয় একটি অভিবাসন বিরোধী দলকে হটিয়ে বাডেন উটেমবার্গ প্রদেশে মুহতেরেম আরাস পার্লামেন্ট স্পিকার নির্বাচিত হোন। নির্বাচিত হওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘আমরা আজ ইতিহাস লিখেছি।’

স্থানীয় পত্রিকাগুলো জানিয়েছে, আরাস এই বিজয়ের পর বলেন, এই বিজয় উন্মুক্ততা, সহনশীলতা এবং ঐক্যেরই ইঙ্গিত দেয়।

তুরস্ক জন্মগ্রহণকারী আরাস ছোটবেলায় তার বাবা-মার সঙ্গে জার্মানির স্টুটগার্ট শহরের কাছাকাছি একটি এলাকায় বসবাস করেন। এরপর অর্থনীতি বিষয়ে পড়াশুনা শেষে নিজের একটি ট্যাক্স পরামর্শক প্রতিষ্ঠান খোলেন।

তার রাজনৈতিক জীবন শুরু ১৯৯২ সালে। স্থানীয় কাউন্সিলে গ্রিন পার্টির পক্ষ থেকে দাঁড়িয়ে নির্বাচিত হোন। ক্রমেই দলকে তিনি জনপ্রিয় করে তোলেন এবং বাডেন উটেমবার্গ প্রদেশ পার্লামেন্ট প্রতিনিধিত্ব করার পর্যায়ে নিয়ে যান। এবার তিনি ৯৬ জন স্থানীয় এমপির ভোটে প্রথম মুসলিম নারী স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হলেন।

এমন এক পরিস্থিতিতে আরাস নির্বাচিত হলেন যখন গত মঙ্গলবারও জার্মানিতে রেলস্টেশনে ‘আল্লাহু আকবার’ বলে চার জনকে ছুরিকাহত করা হয়েছে; ধর্ম, অভিবাসন এবং চরমপন্থা যেখানে অব্যাহত উত্তেজনা বিরাজ করছে।

জার্মানির অভিবাসন বিরোধী দলের সদস্যরা আরাসের প্রথম অধিবেশনে তাকে স্বাগত জানানোর সভায় যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

এই মাসের শুরুর দিকে, অভিবাসন বিরোধ দল ‘ইসলাম দেশের সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং মিনার এবং বোরখা নিষিদ্ধ’ করার ইশতেহার নিয়ে স্থানীয় নির্বাচনে রেকর্ড সাফল্য অর্জন করেছে।

এছাড়া বৃহস্পতিবার প্রকাশিত একটি জরিপে দেখা যাচ্ছে, জার্মানরা প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মনে করেন যে, ইসলাম তাদের দেশে ‘অবাঞ্ছিত’।






মন্তব্য চালু নেই