মেইন ম্যেনু

জাসাস অফিসে বসে জয়কে হত্যার যড়যন্ত্র!

রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকায় বিএনপির অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) অফিসে বসেই প্রধানমন্ত্রীর ছেলে ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়।

তার আগে যুক্তরাষ্ট্রে এফবিআইয়ের দুজন এজেন্টের মাধ্যমে ১ হাজার মার্কিন ডলারের বিনিময়ে যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। আর সেটি বাস্তবায়ন করতে বিএনপি ও জোটের প্রভাবশালী নেতারা মোটা অঙ্কের অর্থ সরবরাহ করেছেন।

জয়কে অপহরণ ও হত্যা করার জন্য বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট নেতারা জাসাস নেতা মামুনের ছেলে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী রিজভি আহমেদের সঙ্গে ৪০ হাজার ডলারের চুক্তি করেন। চুক্তির শর্ত মোতাবেক রিজভি ৩০ হাজার মার্কিন ডলার অগ্রিম গ্রহণ করেন।

মঙ্গলবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, নয়াপল্টনের জাসাস অফিস ছাড়াও রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় বসে জয়কে অপহরণের পর হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়। ওই সময় একটি জিডি করা হয়। জিডির তদন্ত করতে গিয়ে জাসাস নেতা মোহাম্মদ উল্লাহ মামুনের সংশ্লিষ্টতা বেরিয়ে আসে।

ঘটনার প্রথম দিকের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জয়কে অপহরণের মাধ্যমে হত্যার ষড়যন্ত্র হয়। জাসাস নেতা মামুনের ছেলে যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী রিজভি আহমেদ, এফবিআইয়ের একজন সাবেক কর্মকর্তা ও একজন বর্তমান কর্মকর্তার যোগসাজশে এফবিআই থেকে জয় সম্পর্কে তথ্য বের করে আনে। সেটি এফবিআই তদন্ত করলে তা প্রমাণিত হয়। এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে একজন এফবিআই কর্মকর্তা থেলারের ৪২ মাস ও রিজভি আহমেদের আড়াই বছরের জেল হয়। তারা এখনো যুক্তরাষ্ট্রে জেল খাটছেন।

এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বিএনপির উচ্চপর্যায়ের কোনো কোনো নেতা ও জোটের নেতারা মিলে বিপুল অঙ্কের অর্থ সরবরাহ করেন।

আর ষড়যন্ত্রকারী জাসাস নেতা মামুন, তিনিও দুই বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। তাকেও গোয়েন্দারা ‍খুঁজছেন বলে জানা গেছে। এ ছাড়া এই মামলার অজ্ঞাতনামা অন্য ষড়যন্ত্রকারীরা দেশের ভেতরেই আছেন।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে মনিরুল ইসলাম বলেন, পল্টন থানায় যে মামলা হয়েছে সেটির তদন্ত করছেন গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক ফজলুর রহমান। আর মামলাটি তদারক করছেন সহকারী কমিশনার হাসান আরাফাত। তদন্তে যারাই জড়িত থাকুক না কেন তাদেরকেই আইনের আওতায় আনা হবে।

মামলা দেরিতে করার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে যে মামলার সাজা হয়েছে সেটির সম্পৃক্ততা ধরে আমাদের দেশে মামলা করতে হলে সরকারের অনুমোদন লাগে। সরকারের অনুমোদন নিয়েই মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।’

মামলার তদন্তকাজের জন্য প্রয়োজনে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হতে পারে। সেখানে এফবিআইয়ের সঙ্গে বৈঠকও হতে পারে। এ ছাড়া মামুনকে ধরতে এফবিআইয়ের সহযোগিতা নেওয়া হতে পারে।






মন্তব্য চালু নেই