মেইন ম্যেনু

জিপিএ-৫ বেড়েছে ১৬ হাজার

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ গতবারের চেয়ে বেড়েছে প্রায় ১৬ হাজার। পাশাপাশি বেড়েছে পাসের হারও।

এবার এইচএসসি ও সমমানে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৫৮ হাজার ২৭৬ জন শিক্ষার্থী। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৪২ হাজার ৮৯৪ জন।

এবার দেশের আটটি সাধারণ এবং মাদরাসা, কারিগরিসহ মোট ১০ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭৪ দশমিক ৭০ শতাংশ। যা গতবারের চেয়ে ৫দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। গতবার এই হার ছিল ৬৯.৬০ শতাংশ।

গত ৩ এপ্রিল এই পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। শেষ হয় জুনে। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে এবার পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ১৮ হাজার ৬২৮ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১২ লাখ ৩ হাজার ৬৪০ জন। পাস করেছেন ৮ লাখ ৯৯ হাজার ১৫০ জন।

আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডেও এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটোই বেড়েছে। পাসের হার ৭২ দশমিক ৪৭ শতাংশ। গতবার চেয়ে পাসের হার ৬ দশমিক ৬০শতাংশ বেড়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৯৫০ জন। গতবার পেয়েছিলেন ৩৪ হাজার ৭২১ জন।

মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে এবার পাসের হার ৮৮ দশমিক ১৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৪১৪ জন।

পরীক্ষার ফলাফলের অনুলিপি আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেওয়া হয়। শিক্ষামন্ত্রী নুরুলইসলাম নাহিদের নেতৃত্বে বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা এই অনুলিপি তুলে দেন। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলেবিভিন্ন তথ্য সংক্ষেপে তুলে ধরেন।

প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, যশোর শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪ হাজার ৫শ ৮৬ জন, পাসের হার ৮৩ দশমিক ৪২ শতাংশ।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬ হাজার ৭৩ পরীক্ষার্থী, পাসের হার ৭৫ দশমিক ৪০ শতাংশ।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ৮শ ৯৯ জন। পাসের হার ৭০ দশমিক ৬৪ শতাংশ।

বরিশাল শিক্ষাবোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৭৮৭ জন, পাসের হার ৭০ দশমিক ১৩ শতাংশ।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ প্রাপ্তের সংখ্যা ১ হাজার ৯১২। পাশের হার ৬৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ২শ ৫৩ জন, পাসের হার ৬৪ দশমিক ৬০ শতাংশ।

সিলেট শিক্ষাবোর্ডে জিপিএ-৫ প্রাপ্তের সংখ্যা ১ হাজার ৩শ ৩০ জন, পাসের হার ৬৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

এছাড়া কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার যথাক্রমে ৮৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ ও ৮৮ দশমিক ১৯ শতাংশ।

এবার জিপিএর পাশাপাশি প্রাপ্ত নম্বরও দেওয়া হচ্ছে। ফলাফল প্রকাশে গ্রেডিং পদ্ধতি চালু হওয়ার পর এবারই প্রথম পরীক্ষার্থীদের প্রাপ্ত নম্বর প্রকাশ করা হবে।






মন্তব্য চালু নেই