মেইন ম্যেনু

জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে মূল পর্বে আফগানিস্তান

হেড টু হেডে পরিস্কার এগিয়ে ছিল আফগানিস্তান। মাঠের খেলাতেও জিতল আফগান শিবির। জিম্বাবুয়েকে ৫৯ রানে পরাজিত করে টি২০ বিশ্বকাপের মূল পর্বে উঠে গেল আফগানিস্তান। সুপার টেন পর্বে আফগানিস্তানকে লড়তে হবে গ্রুপ ওয়ানে। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হিসাবে অপেক্ষা করছে ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

বাছাই পর্বে বি গ্রুপে নিজেদের শেষ ম্যাচে শনিবার অলিখিত ফাইনালে পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছিল আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ে। দুই দলের পয়েন্টই ছিল সমান চার। ফলে যারা জিতবে, তারাই পাবে টি২০ বিশ্বকাপের মূল পর্বের টিকিট। শেষ অবধি শেষ হাসি খোরাসানের সিংহদের। হতাশায় নিমজ্জিত আফ্রিকান দেশ জিম্বাবুয়ের। টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে শাহজাদ, মোহাম্মদ নবী ও শেনওয়ারির দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮৬ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে আফগানিস্তান। জবাবে জিম্বাবুয়ের অলআউট হয়ে যায় ১৯.৪ ওভারে মাত্র ১২৭ রানেই।

১৮৭ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ধঁকুছিল জিম্বাবুয়ে। একটি ভালো জুটিও গড়তে পারেনি তারা। কোন ব্যাটসম্যান ২০ রানই করতে পারেনি। সর্বোচ্চ সাত বলে ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন পেসার পানিয়াঙ্গারা। এছাড়া সিকান্দার রাজা ১৫, উইলিয়ামস ১৩, সিবান্দা ১৩, অধিনায়ক হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ১১, মুতাম্বামি ও চিগুম্বুরা করেন ১০ রান।

আফগানিস্তানের হয়ে বল হাতে রশীদ খান তিনটি, হামিদ হাসান দুটি, মোহাম্মদ নবী, স্ট্যানিকজাই, দৌলত জাদরান সামিউল্লাহ শেনওয়ারি নেন একটি করে উইকেট। আগামী ১৭ মার্চ কলকাতার ইডেন গার্ডেনে সুপার টেন পর্বের প্রথম ম্যাচে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে আফগানিস্তান।

নাগপুরে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই ছিল আফগানিস্তানের। শাহজাদ ও জাদরান উদ্বোধনী জুটিতে করেন ৪৯ রান। এই জুটি বিচ্ছিন্ন করেন শন উইলিয়ামস। ২৩ বলে ৪০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে শাহজাদ বিদায় নেন উইলিয়ামসের বলে মাসাকাদজার হাতে ক্যাচ দিয়ে। ৪০ রানের ইনিংসে শাহজাদ হাঁকান সাতটি চার ও একটি ছক্কা।

শাহজাদের বিদায়ের পর পানিয়াঙ্গারার বোলিং তোপে দিশেহারা আফগান শিবির। ৬৩ রানের মধ্যে নেই চার উইকেট। ৫০ রানের মাথায় দুই বলে শূন্য রানে বিদায় নেন আফগান অধিনায়ক আসঘার স্ট্যানিকজাই। এরপর সাত বলে সাত রান করা গুলবাদিন নাইবও বিদায়। দলীয় রান তখন ৬০। এরপর তিন রান যোগ হতেই ১৪ বলে ১০ রান করে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার নূর আলী জাদরান। পরের তিনটি উইকেটও বগলদাবা করেন জিম্বাবুয়েন পেসার পানিয়াঙ্গারা।

তবে পঞ্চম উইকেট জুটিতে আফগানদের বড় স্কোরের ভিত্তি গড়ে দেন মোহাম্মদ নবী ও সামিউল্লাহ শেনওয়ারি। এই জুটি থেকে আসে ৯৮ রান। ৩৭ বলে ৪৩ রান করে তিরিপানোর শিকার শেনওয়ারি। তবে ফিফটি করেই ফিরেছেন অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবী। ৩২ বলে ৫২ রান করে তিনি হন রান আউট। দুর্দান্ত এই ইনিংসে ছিল চারটি চার ও দুটি ছক্কার মার। ৯ রানে অপরাজিত ছিলেন শফিকুল্লাহ। শেষ অবধি আফগানিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ১৮৬ রান। জিম্বাবুয়ের হয়ে পানিয়াঙ্গারা তিনটি, তিরিপানো ও উইলিয়ামস নেন একটি করে উইকেট।






মন্তব্য চালু নেই