মেইন ম্যেনু

জিয়ার কবর সরালে ‍আল্লাহও সহ্য করবে না : ‍এমাজউদ্দিন

সংসদ ভবনের চন্দ্রিমা উদ্যান থেকে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবর সরানো হলে এর পরিণতি ভালো হবে না বলে সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এমাজউদ্দীন আহমেদ। তিনি বলেছেন, ‘চিরন্তভাবে শায়িত ‍একজন মানুষকে ডিস্টার্ব করা ‍অগ্রহণযোগ্য। ‍এটা ‍ আল্লাহও সহ্য করবেন না।’

রবিবার রাজধানীতে এক আলোচনায় এমাজউদ্দিন আহমেদ এ কথা বলেন। ‘লুই কানের নকশা: পাকিস্তানী পতাকার ‍আদলে স্বৈরাচারী স্বপ্নের প্রতিফলন’ শীর্ষক গোলটেবিল ‍আলোচনার আয়োজন করে বিএনপিপন্থি সংগঠন স্বাধীনতা ফোরাম।

সরকার জাতীয় সংসদের মূল নকশা অনুযায়ী গোটা এলাকাকে সাজাতে চায়। এ জন্য নকশাবহির্ভুত সব স্থাপনা সরিয়ে নেয়ার কথা বলছেন মন্ত্রীরা। মূল নকশাটি যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে দেশে আনা হয়েছে নভেম্বরের শেষে। তবে এরপর থেকে দৃশ্যমান কোনো তৎপরতা নেই সরকারের।

১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামে হত্যার পর তাকে সেখানেই সমাহিত করা হয়। পরে তার দেহাবশেষ সংসদ ভবনের পেছনে চন্দ্রিমা উদ্যানে সামহিত করা হয়।

বিএনপি অভিযোগ করছে, জিয়াউর রহমানের সামধি সরিয়ে নিতেই সরকার লুই আই কানের নকশা বাস্তবায়নের কথা বলছে। এমাজউদ্দিন বলেন, ‘ওই ‍এলাকায় (চন্দ্রিমা উদ্যান) জিয়াউর রহমানের কবর থাকায় গোটা ঢাকা শহর সম্মানিত হয়েছে।’

জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সৈনিক দাবি করে এমাজউদ্দিন ‍বলেন, ‘জিয়াউর রহমান প্রথম ব্যক্তি যিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। যখন কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি ঘোষণা দেয়ার সাহস পাননি, তিনি তখন স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েই ক্ষ্যান্ত হননি। যুক্তিযুদ্ধ শুরুও করেন। তার মতো ‍একজন মানুষের সাড়ে তিন হাত জায়গা বাংলাদেশে না হবে না- ‍এটা হতে পারে না। ‍আমরা ‍এমন অকৃজ্ঞ জাতি। ‍এটা ‍ আল্লাহও সহ্য করবেন না।’

‍প্রধানমন্ত্রীকে এমাজউদ্দিন বলেন, ‘আপনার শাসন হয়তো দশ বছর, না হয় বিশ বছর। ক্ষমতা তো কারো চীরন্তন নয়। সুতরাং ‍এমনটা হলে ক্ষমতার পরিবর্তন হলে ‍এর প্রতিক্রিয়া হবে ভয়ংকর ও মারাত্মক।’

এমাজউদ্দিন বলেন, ‘আপনার (প্রধানমন্ত্রী) মধ্যে যদি রাজনৈতিক শিষ্টাচারের কিছু থাকে, যদি ন্যায় পরায়ণতার নূন্যতম বাকি থাকে তাহলে যে ব্যক্তি চিরন্তরভাবে শায়িত আছেন তাকে ডিস্টার্ব করা ঠিক হবে না। ‍ ‍এটা গ্রহণযোগ্য নয়, ‍এটা অন্যায়।’






মন্তব্য চালু নেই