মেইন ম্যেনু

জীবনে এই ৫ রকম বন্ধুর থেকে অবশ্যই দূরত্ব রক্ষা করে চলবেন

আমরা যাঁদের বন্ধু বলে মনে করি, তাঁদের সকলের সান্নিধ্যই আমাদের পক্ষে মঙ্গলজন‌ক নাও হতে পারে। আমাদের বন্ধুদের মধ্যেই এমন‌ কিছু মানুষ থাকেন, যাঁদের এড়িয়ে চলাই ভাল।

বন্ধুরা অবশ্যই আপনজন হিসেবেই গণ্য। কিন্তু আমরা যাঁদের বন্ধু বলে মনে করি তাঁদের সকলের সান্নিধ্য আমাদের পক্ষে মঙ্গলজন‌ক না-ও হতে পারে। আমাদের বন্ধুদের মধ্যেই এমন‌ কিছু মানুষ থাকেন, যাঁদের এড়িয়ে চলাই ভাল। কোন ধরনের বন্ধু তাঁরা? আসুন, জেনে নিই—

১. যাঁরা কথায় কথায় আপনার সমালোচনা করেন:
বন্ধুদের মধ্যে কিছু মানুষ থাকেন দেখবেন, যাঁরা আপনার সমস্ত কাজেরই সমালোচনা করেন। সমালোচনা মানে কোনও গঠনমূলক সমালোচনা নয়, বরং সোজাসাপ্টা আপনার নিন্দে করা, আপনার হীনতা প্রমাণ করা। এই ধরনের সমালোচনা আপনার মনোবল এবং আত্মবিশ্বাস দু’টোই ভেঙে দিতে পারে। কাজেই এই ধরনের বন্ধুকে এড়িয়ে চলুন।

২. যাঁরা কথায় কথায় আপনার প্রশংসা করেন:
প্রথম ধরনের বন্ধুদের বিপরীত রকমের ক্ষতি করেন এই সব বন্ধুরা। প্রকৃত বন্ধু তিনিই, যিনি আপনার ভাল কাজটির প্রশংসা করবেন, আর আপনার খারাপ কাজটির ক্ষেত্রে আপনার ভুল ধরিয়ে দেবেন। কিন্তু ভাল-মন্দ নির্বিশেষে আপনার সমস্ত কাজের প্রশংসা করেন যিনি করেন, তিনি আপনার খুব উপকারী বন্ধু হতে পারেন না। তাঁর থেকে একটু দূরেই থাকুন।

৩. যাঁরা স্বার্থপর:
স্বার্থপর মানু‌ষজন সবসময়েই পরিত্যাজ্য। আপনার বিপদে-আপদে এঁদের কখনও পাশে পাবেন না। অথচ আপনার কাছ থেকে সাহায্য নেওয়ার সময় এঁরা বিন্দুমাত্র দ্বিধা বোধ করবেন না। কাজেই এরকম মানুষকে বন্ধু মনে করে খুব কাছে টেনে নেবেন না।

৪. যাঁরা অত্যধিক ব্যস্ততার ভান করেন:
বন্ধুদের মধ্যে কিছু মানুষ থাকেন যাঁরা সর্বদাই ব্যস্ত। কীসের যে ব্যস্ততা এঁদের, তা অবশ্য আপনি বুঝতে পারবেন না। কিন্তু এঁদের এই রহস্যময় ব্যস্ততার ফলে এঁরাই আপনাকে এড়িয়ে চলা শুরু করবেন। কাজের সময়ে এঁদের পাশে পাবেন না, বন্ধুরা একসঙ্গে কোনও প্ল্যান করলে এঁদের এই ব্যস্ততার কারণেই সেই প্ল্যান বাতিল করতে হবে। কাজেই এঁদের থেকেও নিরাপদ দূরত্ব রক্ষা করে চলুন।

৫. যাঁরা নিজেদের সমালোচনা শুনতে প্রস্তুত নন:
এই ধরনের বন্ধুদের নিয়ে আর এক বিপদ। বন্ধুদের কোনও কাজ আপনার ভাল না লাগতেই পারে। সেই কাজের প্রতিবাদ বা সমালোচনা করার অধিকারও বন্ধু হিসেবে আপনার অবশ্যই রয়েছে। কিন্তু সেই সমালোচনা শুনেই আপনার বন্ধু যদি ক্ষেপে ব্যোম হন, ঝগড়াঝাঁটি শুরু করেন, তা হলে কিন্তু বিপদ। এই ধরনের বন্ধুদেরও তাই একটু দূরেই রাখুন।






মন্তব্য চালু নেই