মেইন ম্যেনু

জীবন্ত শামুক দিয়ে রূপচর্চার অভিনব কৌশল

মেয়েরা রূপ চর্চায় কত কিছুই না ব্যবহার করে থাকে। তাই বলে রূপচর্চায় শামুক ব্যবহার! কথাটি শুনেইতো আমাদের দেশের নারীরা দৌড়ে পালাবে। যে শামুক ডোবা, বিল,ঝিলে জন্ম নেয়, সেই জীবন্ত শামুক কিনা সুন্দরী মেয়েদের মুখের উপর ঘুরে বেড়াবে,ভাবা যায়!

আমাদের দেশে এই শামুক ফেসিয়াল খুব একটা জনপ্রিয় না হলেও বর্তমানে বিশ্বের অনেক দেশেই তা এখন খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বলিরেখা, ব্রণর দাগ দাগ দূর করে বয়সের ছাপ মুছে দিয়ে জাগছে তারুণ্যের দীপ্তি। সুন্দর থেকে আরো সুন্দর হয়ে উঠতে আপনিও করাতে পারেন ৪৫ মিনিটের ‘শামুক ফেসিয়াল’।

উত্তর থাইল্যান্ডের চিয়াং মে-র স্নেইল স্পা-তে অভিনব এই ফেসিয়ালের কদর বাড়ছে দিন দিন। উৎপত্তি যদিও একবছর আগে দু’জন ফরাসির হাত ধরে৷ যাঁদের একজন লুক চেম্পেইরক্স তো শামুক চাষের জন্য চিয়াং মেতে খুলে ফেলেছেন আস্ত একখানা খামারবাড়ি। সেখান থেকেই নিজের স্পা-তে প্রয়োজনমতো শামুক সরবরাহ করেন তিনি।

face-snail_2036

এমনকী শামুকের দেহাংশ থেকে নানা ধরনের প্রসাধনীও তৈরি করেন চেম্পেইরক্স। তাঁর দাবি, ‘ককিউলি’ নামের ওই প্রসাধনীর নিয়মিত ব্যবহারে কাটা-ছেঁড়া থেকে শুরু করে ব্রণর দাগও হ্রাস পায়। বলিরেখাও নির্মূল হয়৷ কিন্তু অভিনব শামুক-ফেসিয়াল হয় কীভাবে? প্রথমে মুখমণ্ডল পরিষ্কার করে মুখে ক্রিম লাগিয়ে দেওয়া হয়৷ আর তারপরই ছেড়ে দেওয়া হয় বেশ কয়েকটি শামুক। ক্রিমের পরতের উপর শামুকদের চলাচলে প্রাণ ফিরে পায় নির্জীব ত্বক৷ সৌন্দর্যের মাত্রা বৃদ্ধি করতে কখনও কখনও আবার শামুকের লালা দিয়ে তৈরি বিশেষ মিশ্রণের প্রলেপও মাখানো হয় ত্বকে।

গবেষণায় জানা গিয়েছে, প্রাচীন গ্রিসেও রূপচর্চায় শামুকের ব্যবহার হত। গ্রিক চিকিৎসক হিপোক্রেটিস ত্বকের জ্বালা কমাতে শামুক চূর্ণ করে, দুধের সঙ্গে মিশিয়ে মাখার পরামর্শ দিতেন। পরে ফ্রান্সেও নানা ধরনের ক্রিম ও লোশনে শামুকের দেহাংশ ব্যবহার হয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই