মেইন ম্যেনু

জুমআর দিনের বৈশিষ্ট্য ও ফজিলত

জুমআর দিনের ফজিলত ও বৈশিষ্ট্য অনেক। আল্লাহ তাআলা কুরআনে কারিমে জুমআর দিন নামাজ আদায়ের ব্যাপারে আয়াত নাজিল করেছেন। বিশ্বনবি হাদিসে জুমআর নামাজের ফজিলত ঘোষণা করেছেন। জুমআর দিনে কিছু বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হলো-

হাদিসের বর্ণনায় জুমার দিনের বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো-
১. এ দিনে হজরত আদম আলাইহিস সালামকে সৃষ্টি করা হয়েছে;
২. এ দিনে হজরত হজরত আদম আলাইহিস সালামকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে;
৩. এ দিনে হজরত আদম আলাইহিস সালামকে জান্নাত হতে বের করা হয়েছে;
৪. এ দিনে কিয়ামাত সংঘটিত হবে;
৫. এ দিনই জমিনে সর্ব প্রথম বৃষ্টি নেমেছে;
৬. এ দিনে দোয়া কবুলের একটি সময় আছে, যা অন্য দিনে নেই;
৭. এ দিনে হজরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম কারাগার হতে মুক্তি পেয়েছিলেন;
৮. এ দিনেই হজরত আইউব আলাইহিস সালাম রোগ হতে মুক্তি পেয়েছেন;
৯. এ দিন হচ্ছে গরিবের হজের দিন;
১০. এ দিনেই হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নিষ্পাপ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

এ দিনের ফজিলত বর্নায় হাদিসে এসেছে, ‘হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে দিনগুলোতের সূর্য উদিত হয় তন্মধ্যে উত্তম দিন হলো জুমআর দিন। এদিনেই হজরত আদম আলাইহিস সালামকে সৃষ্টি করা হয়েছে; এ দিনেই তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে এবং এ দিনেই তাঁকে (জান্নাত) হতে বের করা হয়েছে এবং জুমআর দিনআ কিয়ামাত সংঘটিত হবে। (মুসলিম, মিশকাত)

সুতরাং জুমআর দিন অনেক ফজিলতপূর্ণ দিন। এ দিনের ইবাদাত-বন্দেগিও আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য। তাই আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে এ বৈশষ্ট্যপূর্ণ দিনে জুমআর নামাজ আদায় করে তার নিকট ক্ষমা প্রাথর্না করার তাওফিক দান করুন। আমিন।






মন্তব্য চালু নেই