মেইন ম্যেনু

‘জেনুইন লেদার’ ট্যাগ দেখে কী কিনছেন জানেন কি?

সামগ্রীর গায়ে ‘জেনুইন লেদার’ ট্যাগটি দেখে অনেকেই ভেবেছেন, নিশ্চিন্ত হওয়া গেল। কিন্তু কাকে বলে ‘জেনুইন লেদার’ জানলে সম্ভাব্য ক্রেতার চোখ চড়কগাছে উঠে যেতে পারে।

জুতোই হোক আর ব্যাগ, ওয়ালেট কিংবা জ্যাকেট, বিশুদ্ধ চামড়ার জিনিসের প্রতি দুর্বলতা নেই এমন লোক পাওয়া দুষ্কর। আবার সঠিক চামড়া চিনতে না পেরে ঠকে আসা মানুষের সংখ্যাটাও ফেলে দেওয়ার মতো নয়। দোকানে গিয়ে বাঁশবনে ডোমকানা হন প্রায় প্রত্যেকেই। চামড়ার উৎকর্ষ চেনা খুব সহজ কাজ নয়।

আবার অনলাইন কেনাকাটার সময়ে ওয়বসাইটে লিখিত বিবরণের বাইরে কিছুই জানা সম্ভব নয়। সেখানে অন্ধ হয়ে কেনা ছাড়া উপায় থাকে না। গত কয়েক বছরে চামড়ার সামগ্রীর গায়ে ‘জেনুইন লেদার’ ট্যাগটি দেখে অনেকেই ভেবেছেন, নিশ্চিন্ত হওয়া গেল। কিন্তু কাকে বলে ‘জেনুইন লেদার’ জানলে সম্ভাব্য ক্রেতার চোখ চড়কগাছে উঠে যেতে পারে।

‘জেনুইন লেদার’ বস্তুটি মোটেই খুব উঁচুদরের লেদার নয়। ‘টপ গ্রেন’ বা ‘ফুল গ্রেন’ লেদারকেই উৎকৃষ্ট লেদার হিসেবে গণ্য কেরন চামড়া-বিশেষজ্ঞরা। অনেক সময়ে কৃত্রিম চামড়ার গায়ে ‘জেনুইন লেদার’ লিখে শোকেসে রাখা হয়। তবে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, রিয়্য‌াল লেদার দিয়ে তৈরি জিনিসপত্রের মধ্যে ‘জেনুইন লেদার’ সবথেকে অপকৃষ্ট কোয়ালিটিকেই বোঝায়।

খারাপ গুণগত মানের চামড়াকে বেশ কয়েকটি লেয়ারে রেখে আঠা দিয়ে সেঁটে ‘জেনুইন লেদার’ তৈরি হয়। তার পরে এর উপরে চড়ে মনোহারি রং আর পালিশ। ‘টপ গ্রেন’ বা ‘ফুল গ্রেন’ লেদারের তুলনায় এর দাম খুবই কম এবং অবশ্যই এদের মতো টেকসইও নয় ‘জেনুইন লেদার’।

কেনাকাটার সময়ে তাই সাবধানে পা ফেলুন। ‘জেনুইন’ দেখেই হামলে পড়বে না।






মন্তব্য চালু নেই