মেইন ম্যেনু

জেনে নিন কোন ওষুধের সাথে কোন খাবার খাওয়া উচিত নয়

যে কোনো ওষুধ সেবন করার আগে কোন ওষুধের সাথে কোন খাবারগুলো এড়িয়ে চলা ভালো তা জেনে নেওয়া উচিত। এ বিষয়ে চিকেৎসকের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। তাছাড়া ওষুধের সাথে থাকা ইনসার্ট বা তথ্যনির্দেশিকাটি ফেলে না দিয়ে পড়ে নেয়া ভালো। তাছাড়া কোন ওষুধের সাথে কোন ধরনের খাবার গ্রহণ করা উচিত নয় তাও জেনে নিতে পারেন কয়েক মিনিটেই।

অ্যান্টিবায়োটিক আর দুধ একসাথে নয়! অ্যান্টিবায়োটিক আর দুধ যে একসাথে খাওয়া ঠিক নয়, সেকথা অনেকেই জানেন। অ্যান্টিবায়োটিকের বিশেষ কিছু উপাদান ক্যালশিয়ামের সাথে মিশে দানা বা জট হয়ে যায়। ফলে তা পেটের মাধ্যমে রক্তে প্রবেশ করতে পারে না। তাই অ্যান্টিবায়োটিকের সঙ্গে দুধ খাওয়া উচিত নয়। তবে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার ঘণ্টা দুয়েক আগে বা পরে দুধ পান করা যেতে পারে।

দানাদার খাবারের সাথে ‘প্যারাসিটামল’ নয় সেরিয়াল বা বিভিন্ন দানাদার খাবারের আঁশ ব্যথার ওষুধকে ভালোভাবে কাজ করতে তো দেয় না। এসব খাবার ব্যথার ওষুধের কার্যকারিতায় বাঁধার সৃষ্টি করে। অর্থাৎ পেট বা অন্ত্রকে দমন করে থাকে দানাদার খাবর। তাই দানাদার খাবার বিষেশ করে বিভিন্ন শস্যদানা যেমন- ডাল, সিমবীজ, ছোলা, চানাচুর, বিস্কুট, বিভিন্ন ফল জাতীয় খাবার বা আঁশ জাতীয় খাবার কোন ব্যথার ওষুধের সাথে না খাওয়াই ভালো।

রক্তের ঘনত্ব কমানোর ওষুধের সাথে সবুজ সবজি নয় ব্রকোলির মত সবুজ সবজি বা সালাদে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘কে’। এটি রক্ত জমাট না বাঁধতে সাহায্য করে। তবে যারা রক্তের ঘনত্ব কমাতে বিশেষ করে পা ফুলে যাওয়ার জন্য ওষুধ সেবন করেন তাদের ওইসব ওষুধের সাথে ব্রকলি বা সবুজ সবজি না খাওয়াই ভালো। কারণ রক্তের ঘনত্ব কমানোর ওষুধের সাথে সবুজ সবজি খেলে ওষুধের উপকারিতা কমে যায়।

চা-কফির সাথে আয়রন ট্যাবলেট নয় আয়রন ট্যাবলেটের কাজ হচ্ছে অন্ত্রের মাধ্যমে রক্তে প্রবেশ করা। কিন্তু এই ট্যাবলেটের সাথে যদি চা বা কফি পান করা হয় তাহলে তা প্রস্রাবের মাধ্যমে দ্রুত শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। ফলে আয়রন ট্যাবলেটের কার্যকারিতাও কমে যায়। তাই রক্তস্বল্পতার কারণে যারা আয়রন ট্যাবলেট খান ট্যাবলেট সেবনের দুই ঘণ্টা আগে বা পরে তাদের চা বা কফি পান করা উচিত।

হাঁপানির ওষুধ আর গোলমরিচ একসাথে নয়! অ্যাজমা বা হাঁপানি এখন দূরারোগ্য রোগ না হলেও অনেকেই বছরের পর বছর এ রোগ নিয়ন্ত্রনে রাখতে ওষুধ সেবন করেন। তবে অ্যাজমা বা হাঁপানির ওষুধ সেবনকারীদের গোলমরিচ না খাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ গবেষণায় বলছে, গোলমরিচের ঝাঁঝ অ্যাজমার ওষুধের কর্মক্ষমতা কমিয়ে তার ধীর গতি করে দেয়। তাই যাদের হাঁপানি আছে তাদের গোলমরিচ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা।






মন্তব্য চালু নেই