মেইন ম্যেনু

জেনে নিন জামাই কয় প্রকার ও কী কী…

আজ নেমন্তন্ন ছিল? পেট পুরে খেয়েছেন তো? কী বললেন? শ্বশুরবাড়িতে জামাইষষ্ঠী নেই!!!! এই একটা দিন জামাইকে মনের মতো করে খাওয়াবেন বলে শাশুড়িরা যেমন অপেক্ষায় থাকেন, তেমনই অনেক পেটুক জামাইও শাশুড়ি কী কী সাজিয়ে দেবেন পাতে তা নিয়ে বেশ মজায় থাকেন। তবে শাশুড়ি যেমন নানা প্রকার, জামাইরাও তেমন। দেখে নিন যে ৬ ধরনের জামাই সচরাচর দেখা যায়।

পেটুক জামাই: এদের জন্যই তো জামাই ষষ্ঠীর এত্ত রমরমা। এই জামাইরা শুধু পেট পুরে খেতে পেলেই খুশি।
বছরে একটা দিন শাশুড়ির হাতে ভালমন্দ কব্জি ডুবিয়ে খাবেন বলে সারা বছর অপেক্ষায় বসে থাকেন এরা। এই জামাইদের খাইয়ে শাশুড়িরাও খুশ।

পেট রোগা জামাই: এই জামাইদের খাইয়ে সুখ নেই। শাশুড়ি যতই ঘেমে নেয়ে চর্ব-চোষ্য রাঁধুন না কেন
এই জামাইরা অল্পেই খুশি। বাবা, বাছা করে একটু চেপেচুপে খাওয়াতে গেলেই আবার আরেক বিপদ!

বুঝদার জামাই: এই জামাইরা বেশ বুঝদার। গরম, অফিস, শাশুড়ির বয়স, বাতের ব্যথার কথা মাথায় রেখে এরা বিশেষ কষ্ট দিতে চান না।
কোনও রেস্তোরাঁয় ডিনার বা ছুটির দিনের দুপুরে শ্বশুরবাড়ি ঢুঁ মেরে যেতেই এরা স্বচ্ছন্দ।

অনুপস্থিত: অনেকেই এখন কলকাতার বাইরে সেটলড। তাই শাশুড়িদের যতই মনোবাঞ্ছা থাকুক আমা, জাম, কাঁঠাল, মিষ্টি, পোলাও, কালিয়া সাজিয়ে দেবেন জামাই বাবাজির ভাগ্য কি সে সুখ আছে!
আর এই জামাইরা যদি পেটুক হন তাহলে তো কথাই নেই। অন্যদের ফেসবুক প্রোফালেই সাজানো থালা থেকে দীর্ঘশ্বাস ফেলেই কাটাতে হবে ষষ্ঠী।

নিস্পৃহ জামাই: এই জামাইরা ষষ্ঠীর ধার ধারেন না। সমাজ সংস্কার, লিঙ্গসাম্যের ধ্বজা ওড়ানো এই সব জামাইদের একটা দিন পাত পেড়ে খাওয়াবেন বলে শুধু শাশুড়িরাই হা পিত্যেশ করে বসে থাকেন।

বঞ্চিত জামাই: এই জামাইরা বিরল। যতই খাওয়ার শখ থাকুক, যতই পেটুক হোক না কেন শাশুড়িরাই যে বিমুখ। বাড়িতে জামাইষ্ঠীর প্রথা নেই যে।






মন্তব্য চালু নেই