মেইন ম্যেনু

জেনে নিন প্রতারণা কেন হয়!

নারীর দৃষ্টিতে পুরুষ বেশি প্রতারণা প্রবণ আবার পুরুষের দৃষ্টিতে নারী বেশি। সমীক্ষা চালালে দেখা যাবে প্রতারণা করার প্রবণতা নারী পুরুষ উভয়ের মাঝেই আছে। শুধু উভয়ের প্রতারণার ধরণে থাকে ভিন্নতা। কিন্তু প্রতারণার এই কাজটি পুরুষ কেন করে? এর পেছনে বিশেষ কারণই কি?

শুরুতেই ঝামেলা

যখন প্রতিনিয়তই ঘরে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়াঝাঁটি হয় তখন পুরুষরা সব সময় অসুখী এবং বিরক্তিকর সময় পার করে। এই পরিস্থিতিতে হয় সে বাজে আচরণ করে অথবা পালাতে চায়। এই অবস্থায় সে অন্য কাউকে সঙ্গী হিসেবে বেছে নিতে চায়, যেখানে বিয়ের এই ঝামেলা থেকে সে মুক্তি পাবে এবং সেই মানুষটির সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করবে। এমন ধারনা থেকেই লুকিয়ে অন্য সম্পর্কের জন্ম দিতে থাকে।

একঘেয়েমি

অনেক পুরুষ তাদের বিবাহিত জীবনের সম্পর্কে নতুন খুঁজে নেয়। নিজের দাম্পত্য তার কাছে বড় বেশি বিরক্তির হয়ে দাঁড়ায়। একঘেয়ে পানসে জীবনকে একটু রঙের ছোঁয়া দিতে অন্য কারো সঙ্গ খোঁজে। নতুন সম্পর্কে সে প্রাণ ফিরে পাওয়ার আনন্দ পায়। এ কারণে সে বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও নতুন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে।

যৌন মিলনে নতুনত্বের খোঁজ

বিয়ের পর প্রতারণার অন্যতম একটি কারণ হলো যৌন সম্পর্ক। শারীরিক সম্পর্কে নতুনত্বের খোঁজে স্ত্রীর জায়গায় অন্যকে স্থান দিতে কুণ্ঠাবোধ করে না। তারা অনেক নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে আগ্রহী থাকে এবং সব সময় তাদের মাথায় এই বিষয়টিই ঘুরে বেড়ায়। যা তাকে স্ত্রীর সঙ্গে প্রতারণার সামিল।

প্রেমের ঘাটতি

অনেক সময় স্ত্রীদের ব্যস্ত জীবনের কারণে, সন্তানের কারণে, পরিবারের দায়িত্বের কারণে স্ত্রীরা স্বামীকে সময় দিতে পারে না। এর ফলে পুরুষরা আবেগের কারণে নিজেদের অসহায় মনে করে এবং বিবাহিত জীবনে প্রেমের ঘাটতি অনুভব করে। অন্য কারো কাছ থেকে সে যখন প্রেমের আহ্বান পায়, তখন নির্দ্বিধায় প্রতারণা করার সুযোগ খোঁজে এবং তাতে সে সফলও হয়।

অতীতে প্রতারণার অভ্যাস

অনেক সময় পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি থেকেও মানুষ প্রতারণা করতে শেখে। হয়তো ছোটবেলা থেকেই সে কাছের কাউকে দেখে এসেছে প্রতারণা করতে। তাই তার কাছে বিষয়টি খারাপ কিছু না। এর ফলে এমন পুরুষরা বিয়ের আগে ও বিয়ের পর এমন প্রতারণার ঘটনা হরহামেশাই করে থাকে। সেটা প্রেমিকার সঙ্গে হোক কিংবা স্ত্রী। তার মাঝে প্রতারণার অভ্যাস সারা জীবনই থেকে যায়।

বিচ্ছেদের জন্য প্রতারণা

যেসব মানুষ প্রকাশ্যে প্রতারণা করে তারা আসলে বিয়েটাকে ততটা গুরুত্বের চোখে দেখে না। এমনকি বিচ্ছেদের ভয়ও নেই তাদের। এ ধরনের পুরুষদের সংখ্যা খুবই কম কিন্তু এমন মনমানসিকতার পুরুষ সমাজে বিরাজমান। যাদের চক্ষুলজ্জা নেই এবং স্ত্রী-পরিবারকে তেমন একটা পাত্তা দেন না। অন্য সম্পর্কের প্রতিই তাদের আসক্তি বেশি থাকে। মনে মনে আসলে তারা বিচ্ছেদই কামনা করে।

মনোযোগ বাড়াতে

অনেক সময় পুরুষ তাদের স্ত্রীদের কাছ থেকে তেমন কোনো মনোযোগ পান না। এ কারণে অন্য কোনো নারী যদি তাকে অনেক বেশি সময় দেয় এবং সে যে বিশেষ সেই অনুভূতি দেয় তখন পুরুষরা প্রতারণা করার দিকে ঝুঁকে পড়ে। সে প্রতারণা করতে উঠেপড়ে লেগে যায়। মূলত নিজের সন্তুষ্টির কারণেই পুরুষ তখন প্রতারণা করে।






মন্তব্য চালু নেই