মেইন ম্যেনু

জেনে নিন, মানুষের অনুভুতি সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ন কথা

পৃথিবীর প্রতিটা মানুষ তাদের ইমোশন চোখ দিয়ে প্রকাশ করে বিশেষ করে একা থাকার মুহূর্তগুলো ৯৯%  মানুষ সেই ইমোশন বুঝতে পারে না।

আর ১% মানুষের মধ্যে সবাই “মা”

সাত দিনের বাচ্চার চোখের ভাষাও মায়েরা খুব তাড়াতাড়ি পড়ে নিতে পারে বুঝতে পারে তারা কি চায় । তাদের কি দরকার কেমন হলে তার বাচ্চারা ভালো থাকবে।

আপনি আপনার মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে কোনদিন মিথ্যা বলতে পারবেন না । এক ঝটকায় বুঝে নিবে আপনি মিথ্যা বলছেন।

যে ছেলেটা দিনে চার বার ভাত খায় সেই ছেলেটা দুই বেলা খেয়ে যখন মায়ের সামনে দাঁড়িয়ে বলে “না আমি সারাদিন তো খাওয়ার উপর থাকি”

হাসি দিয়ে আপনি হয়তো কষ্টের মধ্যে আনন্দ আনতে চাইছেন হি হি হা হা করে তারপর দেখবেন চট তারা আপনার চোখের ভাষা বুঝে নিবে আপনার চোখের দিকে তাকিয়ে বলে দিবে আপনি মিথ্যা বলছেন।

চোখের রেটিনার প্রতিটা মুভমেন্ট হার্ট বিটের সাথে হার্ট বিটকে নক করছে । ধিপ ধিপ শব্দের সাথে শব্দ একটা ছন্দ মিলেমিশে একাকার হয়ে যাচ্ছে প্রতিটা মুভমেন্টের যে কোন একটার মিসিং হলেই চট করে ধরে নিচ্ছে আপনি যে মিথ্যা বলছেন

এই গুণটা সবার মধ্যে থাকে না চোখের মুভমেন্ট দেখে মানুষটা কেমন আছে সেটা বলে দেয়া।

প্রতিটা মানুষের সিক্রেট চোখের ভাষার মধ্যে আপনি পড়তে পারবেন শুধু মানুষটাকে সেই অনুভূতিটা মনে করিয়ে তার চোখের দিকে তাকিয়ে থাকুন।

একি ঘিয়ে রঙের ছাদের নিচে থাকেন আপনারা কখনো কি মানুষটার চোখের দিকে তাকিয়ে দেখেছেন ?

আচ্ছা কি আছে সেই চোখে ? এক টুকরো ভালোবাসার চাঁদ নাকি ঘৃণায় ভরা একটা দুনিয়া ?

অদ্ভুত লাগে যেই মানুষগুলো আজ পঁচিশ বছর একসাথে থাকে তারা নাকি একবারও কেই কারো চোখের দিকে তাকায়নি । এখনও নাকি তারা নাকি তাদের চোখের ভাষা বুজতে পারেনি।

এক মানুষকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, আচ্ছা আপনি আপনার স্বামীর চোখের দিকে তাকিয়ে তার ভাষা কোনদিন পড়ার চেষ্টা করেছিলেন ?

অবাক চোখে আমার দিকে তাকিয়ে ছিল মানুষটা উনিশ বছরের এই ছেলে কি বলে ! ! !

চুপ দেখে বলেছিলাম “খুব ভালো করে আজ একবার তাকিয়ে দেখবেন”হা করে তাকিয়ে ছিল মানুষটা আমার দিকে।

মানুষের ইমোশন প্রকাশের একটা ধরন আছে .হয়তো আপনাকে বুঝিয়ে দিতে চাইছে আপনার কাছের মানুষটা আপনার কাছে কি চায় কাছে এসে বুকে জড়িয়ে ঠোটে ঠোট লাগিয়ে একটা চুমোর কথাও মানুষ চোখ দিয়ে বুঝিয়ে দেয় । যেটা কোন স্বামী তার স্ত্রীর চোখের দিকে কল্পনা করতে পারে না প্রতিটা মানুষের চোখের ভাষা আছে।

যে ছেলেটা সারাদিন রাস্তায় কাগজ কুড়ায় তার চোখের মধ্যেও অনুভুতির ভাষা আছে। সে ভাষা বেঁচে থাকার সংগ্রাম করে বেঁচে থাকার চটের বস্তা ঘাড় থেকে ছুড়ে ফেলে পাশের স্কুলে ভর্তি হওয়ার।

একটা চরম কথা বলি, ঠিক এই কারনে সবাইকে চোখের ভাষা পড়ার ক্ষমতা দেয়া হয়নি “প্রতিটা মানুষ যদি চোখের ভাষা পড়তে পারতো তাহলে এই পৃথিবীতে কষ্টের কোন অস্তিত্ব থাকতো না ক্ষুদা নিয়ে কেউ মরত না ”
কারন এই দুইটা ইমোশন সবচেয়ে বেশি মানুষ তাদের চোখ দিয়ে ফ্লো করে।

হয়তো এমন একটা দিন আসবে যে দিনে প্রতিটা চোখের ভাষার মধ্যে চিরস্থায়ী আনন্দ থাকবে মানুষ খুঁজে খুঁজে কষ্ট আর ক্ষুদার ইমোশন ফ্লো করার চোখ খুজবে।






মন্তব্য চালু নেই